পেঁয়াজ আমদানির জন্য নতুন করে আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) হচ্ছে না। ইতিপূর্বে যে পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানির আইপি অনুমোদন নিয়েছে, তাঁর তিন ভাগের এক ভাগ পেঁয়াজও আমদানি হয়নি। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দেশে পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী। দেশে উত্পাদিত পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। এছাড়া মিয়ানমার ছাড়া অন্য দেশের পেঁয়াজ নিয়ে ক্রেতাদের আগ্রহ কম। তাই এর প্রভাব পড়েছে পেঁয়াজের বাজারে।
উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র সূত্র জানায়, বর্তমানে পেঁয়াজ আমদানির জন্য নতুন করে আইপি ইস্যু হচ্ছে না। ইতিপূর্বে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ১ লাখ ৭ হাজার ২০৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির আইপি নিয়ে গতকাল শনিবার পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৬ মেট্রিক টন। আমদানির প্রবাহ কমে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও দাম বাড়তি। ফলে আমদানি করে কতটুকু সুফল পাওয়া যাবে, তা নিয়ে ব্যবসায়ীরা চিন্তা-ভাবনা করে পেঁয়াজ আনছেন। এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক ড. আসাদুজ্জামান বুলবুল ইত্তেফাককে বলেন, নতুন করে আইপি অনুমোদন নিচ্ছে না। আসছেও কম।