স্পোর্টস ডেস্ক
ওয়ানডে ক্রিকেটে চলতি দশকের-সেরা ওয়ানডে একাদশ নির্বাচন করেছে উইজডেন। সেই ১৮৬৪ সাল থেকে চলে আসা ক্রিকেটবিষয়ক এই ঐতিহ্যবাহী সাময়িকীটির বিবেচনায় সেই একাদশে ঠাঁই করে নিয়েছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।
এই দশকে সাকিব করেছেন ১৩১টি ওয়ানডে। এর মধ্যে ৩৮.৮৭ গড়ে করেছেন ৪২৭৬ রান। সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটা ১২৪ রানের। এছাড়া বাঁ-হাতি স্পিনে নিয়েছেন ১৭৭টি উইকেট। গড় ৩০.১৫। সেরা বোলিং ফিগার ৫-২৯।
একাদশে সাকিবই একমাত্র স্পিনার ও অলরাউন্ডার। আরো আছেন ছয় ব্যাটসম্যান ও চার পেসার।
একাদশে ভারত থেকে জায়গা করে নিয়েছেন সর্বোচ্চ তিন জন। এর মধ্যে আছেন সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি, বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও ওপেনার রোহিত শর্মা। অস্ট্রেলিয়া থেকে আছেন দুজন—ডেভিড ওয়ার্নার ও মিশেল স্টার্ক। রোহিতের সঙ্গে ওপেন করবেন ওয়ার্নার।
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেও আছেন দুজন। তারা হলেন—সাবেক অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ডেল স্টেইন। ভিলিয়ার্স ব্যাট করবেন চার নম্বরে। এর আগে তিনে খেলবেন বিরাট কোহলি।
ইংল্যান্ড থেকে আছেন জশ বাটলার, শ্রীলঙ্কা থেকে লাসিথ মালিঙ্গা ও নিউজিল্যান্ড থেকে ট্রেন্ট বোল্ট। পাঁচ, ছয় ও সাতে খেলবেন যথাক্রমে বাটলার, ধোনি ও সাকিব। একাদশে পাকিস্তানের কোনো ক্রিকেটারের জায়গা হয়নি। একই ভাবে টেস্ট খেলুড়ে অন্য তিন দল জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের কাউকেই এই একাদশে নেওয়া হয়নি।
উইজডেনের দশক রিভিউয়ে একাদশ নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন অ্যাডাম কলিন্স, ড্যান নরক্রস, ফিল ওয়াকার ও ইয়াশ রানা। তাকে এই একাদশে রাখার ব্যাখ্যা দিয়ে অ্যাডাম কলিন্স বলেন, ‘ও যে পরিমাণ কাজের সাথে মাঠে জড়িত থাকে, তাতে ওকে দলে না দিয়ে কোনো উপায় নেই। সাকিবের কথা একবার ভেবে দেখুন, ও থাকলে আমাদের সব ধরনের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আর যখন আমরা বাটলার ও ধোনি দু’জনকেই নিচ্ছি—তখন আসলে একাদশে একজন অতিরিক্ত বোলার দরকার।’
এর সঙ্গে ইয়াশ রানা যোগ করেন, ‘এই দশকে স্পিন বোলিংয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হলেন সাকিব।’
বোঝাই যাচ্ছে, ক্রিকেটে না থাকলেও আলোচনায় ভালোমতোই টিকে আছেন সাকিব। আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে তাকে এক বছরের জন্য ঘরোয়া, আন্তর্জাতিক কিংবা ফ্র্যাঞ্চাইজি—সব রকমের ক্রিকেট থেকে দূরে থাকতে হবে তাকে।