পেশাদার ফুটবল লিগ
স্পোর্টস রিপোর্টার
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ভেন্যুর বাড়ানোর বিষয়টি আগামী সপ্তাহেই চূড়ান্ত হবে। এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ কমিটির সভাপতি সালাম মুর্শেদী।
আগামী বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে অনেক পরিকল্পনা আছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে)। বিভিন্ন টুর্নামেন্ট ও প্রীতিম্যাচের জন্যে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ব্যস্ত থাকবে এ সময়ে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে বেশির ভাগ দলের ‘হোম’ ভেন্যু স্টেডিয়ামটিতে হওয়ায় সেক্ষেত্রে প্রিমিয়ার লিগের সূচিতে দীর্ঘসূত্রতার একটা শঙ্কা থেকেই যায়।
প্রিমিয়ার লিগকে এ শঙ্কা থেকে মুক্ত রাখতে গেল আগস্টে লিগ কমিটির এক সভায় সিদ্ধান্ত হয় স্টেডিয়ামের সংখ্যা বাড়ানোর। গেল মৌসুমে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের বাইরে পাঁচটি ভেন্যুতে হয়েছিল লিগের খেলা। এগুলো হলো—ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়াম, গোপালগঞ্জের শেখ মনি স্টেডিয়াম, নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়াম, নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম এবং সিলেট জেলা স্টেডিয়াম।
তবে চলতি মৌসুমে নোফেল ও বিজেএমসি অবনমিত হয়ে যাওয়ায় নোয়াখালী বাদ পড়েছে ভেন্যুর তালিকা থেকে। বাকি স্টেডিয়ামগুলোয় গত মৌসুমের মতোই খেলা চলবে লিগের। এ তালিকায় নতুন যোগ হতে পারে আরো দুটি স্টেডিয়াম। কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের ব্যাপারে মোহামেডান ইতোমধ্যেই লিগ কমিটিকে চিঠি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিমিয়ার লিগের কর্মকর্তা জাবের বিন তাহের আনসারি। সম্ভাবনা আছে মানিকগঞ্জ স্টেডিয়ামেরও।
প্রিমিয়ার লিগের ভেন্যু বাড়ানোর ক্ষেত্রে ঢাকার কাছে ধারের অঞ্চলগুলোকেই প্রাধান্য দিচ্ছে বাফুফে, জানালেন সালাম মুর্শেদী। বাফুফের সহসভাপতি ইত্তেফাককে বলেন, ‘ঢাকার বাইরে স্টেডিয়ামগুলোতে আমরা ক্লাবগুলোকে পরিদর্শন করিয়ে দেখিয়েছি। এক্ষেত্রে ঢাকার কাছে পিঠের স্টেডিয়াম যেমন মানিকগঞ্জ, কুমিল্লা; এমন জায়গা যেখানে দিনে খেলে দিনেই ফিরে আসা যাবে—এমন ভেন্যুগুলোকে চেয়েছি আমরা।’
আসছে মৌসুমে কোন দল কোন স্টেডিয়ামকে ‘হোম’ ভেন্যু হিসেবে নেবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা আসবে আগামী সপ্তাহে। সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘ভেন্যু নেওয়ার ব্যাপারে ক্লাবগুলোর চিঠি পাওয়া সাপেক্ষে আগামী সপ্তাহে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবো আমরা।’