নতুন বছরে যা করার তাই করব, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করব

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘এ বছরটা খুব জঘণ্যভাবে শেষ হচ্ছে। নতুন বছরে সবাই মিলে বৃহত্তর ঐক্যকে সুসংহত ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে মানুষকে বাঁচানোর জন্য যা করা দরকার তাই করব। ভোট ডাকাত সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করব।’ তিনি গতকাল তার মতিঝিলের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ড. কামাল বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নামধারী ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় ভিপি নুরসহ অর্ধশতাধিক ছাত্র আহত হওয়ার ঘটনা অকল্পনীয়, লজ্জাকর। এর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। ছাত্রদের ওপর এ ধরনের হামলা পূর্বপরিকল্পিত। বছর শেষে একদলীয়, এক ব্যক্তির শাসনকে কেন্দ্র করে পূর্ণ ক্ষমতা নিয়ে এগুলো করা অকল্পনীয়।

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার করা হবে বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যে কথা বলেছেন, সে বিষয়ে ড. কামাল বলেন, ‘উনি (কাদের) কি নিজের বিচার শুরু করবেন নাকি? নিজেকে আসামি ঘোষণা করে বিচার করলে একটা কথা।’

ঐক্যফ্রন্টের শরিক জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, ‘যে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নাম দিয়ে নুরের ওপর হামলা করা হয়েছে, ’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাদের বাবারও জন্ম হয়নি। কীসের মুক্তিযুদ্ধের মঞ্চ? ছাত্রলীগ এই হামলা করেছে। নির্দলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের দাবিকে আমরা সমর্থন জানাচ্ছি।’

ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি আবু সাইয়িদ ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহসীন রশিদ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।