পেটের ভেতর ভরে ১৬০০ ইয়াবা পাচার!

এক ব্যক্তির পেটের ভেতর ১৬০০ পিস ইয়াবা ভরে পাচার করা হচ্ছিল। আর নাজমুল নামে সেই ‘অতি সাহসী’ ব্যক্তিকে রবিবার দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এছাড়া নাজমুলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক নাদিয়া আক্তার নামে আরেকজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর হাসপাতালে নিয়ে নাজমুলের পেটের ভিতর থেকে ১৬০০ পিস ইয়াবা ও বাসায় তল্লাশি করে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে র্যাব।

র্যাব জানায়, গোপনসূত্রে তারা খবর পায় যে চাঁদপুরের একজন ইয়াবা পাচারকারী দীর্ঘদিন ধরে অভিনব কৌশলে বাসযোগে ইয়াবা পাচার করে আসছে। উক্ত ইয়াবা পাচারকারী কক্সবাজার হতে রবিবার রাতে বাসযোগে ঢাকায় ইয়াবা নিয়ে আসছে—এমন খবর পেয়ে র্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোডের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে। চেকপোস্টে বাস থামিয়ে নাজমুল হককে আটক করা হয়। এরপর তাকে নারায়ণগঞ্জের সদর থানাধীন খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে এক্স-রে করে তার পেটের ভেতর অনেকগুলো ডিম্বাকৃতির বস্তু দেখা যায়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে গ্রেফতারকৃত নাজমুল স্বীকার করে যে তার পেটের ভেতর কালো টেপ দিয়ে মোড়ানো ছোটো ছোটো ৪০টি ইয়াবার পোটলা রয়েছে যার প্রত্যেকটিতে ৪০ পিস করে মোট ১৬০০ পিস ইয়াবা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত নাজমুলের দেওয়া তথ্য মতে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে মাদক ব্যবসায়ী নাদিয়া আক্তারকে (৩১) গ্রেফতার করা হয় ও তার বাসা থেকে ৫০ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রির নগদ ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। র্যাব আরো জানায়, তারা উভয়ে স্বামী-স্ত্রী ও চিহ্নিত মাদক পাচারকারী। তাদের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানাধীন নয়াকান্দি গ্রামে। স্বামী-স্ত্রী সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আটি হাউজিং এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত্ মাদক ব্যবসা করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।