সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজার। দেশের এবং বাইরের অসংখ্য পর্যটক প্রতিদিন এই শহরে আসছেন। ডলফিন মোড় থেকে কলাতলী সড়কটি ভালোভাবে সজ্জিত করলে পর্যটকদের চোখে আকর্ষণীয় দেখাবে। এই সড়কের পাশে বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছ লাগানো যেতে পারে। এই সড়কে রাত্রিকালীন বাতির সংখ্যা বাড়াতে হবে। কয়েকদিন আগে বার্মিজ মার্কেট যাওয়ার পথে দেখলাম গোলদিঘির আশেপাশে রাস্তার অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। বার্মিজ মার্কেট থেকে আবহাওয়া অধিদপ্তর পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। সড়কব্যবস্থার পাশাপাশি আরেকটি ব্যাপার চোখে পড়ার মতো। সেটি হচ্ছে শব্দদূষণ। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেকে এখানে শিক্ষা সফর বা বনভোজনে আসেন। অনেক সময় দেখা যায়, পর্যটকদের মাইক আর সাউন্ড সিস্টেমের আওয়াজে রাতের বেলা ঘুমানো সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। রাত ১০টা থেকে শব্দ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া খুব জরুরি। কক্সবাজার প্রশাসন অনেক সচেতন। তারপরও অনুরোধ জানাব, ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা চলাকালে যেন রাত ৮টা থেকে মাইক, সাউন্ড সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করা হয়। শব্দদূষণ থেকে কক্সবাজারকে মুক্ত রাখার দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব আছে। এই শহরকে যত বেশি পরিষ্কার রাখতে পারব তত বেশি আমাদের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। বাইরের পর্যটক যত বেশি আমাদের দেশে আসবে তত বেশি আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে। বিচে ডাস্টবিনের সংখ্যা বাড়ানো দরকার বলে আমি মনে করি। কেউ যাতে বিচ এলাকায় আবর্জনা ফেলতে না পারে, তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা উচিত। শহরের বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে সুন্দর হোটেল তৈরি হচ্ছে সেভাবে সুন্দর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাস্তাও তৈরি করতে হবে। পরিশেষে, শান্ত আর স্নিগ্ধ পরিবেশে পর্যটকরা কক্সবাজার এসে অনাবিল আনন্দ উপভোগ করুক—এটাই কামনা।
রূপম চক্রবর্ত্তী
পূর্বনলুয়া, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম