বাংলাদেশে ৯০ শতাংশ মানুষের ক্যানসার রোগের চিকিত্সার সামর্থ্য নেই। ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় করা সম্ভব হলে রোগীকে শতভাগ সুস্থ করা সম্ভব। এজন্য আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন। এ সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সামর্থ্য সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের নেই। ফলে ক্যানসার রোগীগণ বিলম্বে চিকিত্সককের শরণাপন্ন হওয়ায় রোগ ছড়িয়ে পড়ে। আর ক্যানসার রোগ ছড়িয়ে পড়লে চিকিত্সার ব্যয় শতগুণ এমনকি হাজারগুণ বেড়ে যায়। বর্তমানে সরকারি সর্বজনীন চিকিত্সাব্যবস্থায় নামমাত্র ক্যানসারের চিকিত্সার ব্যবস্থা আছে। সরকার বিভাগীয় শহরগুলোতে ক্যানসার হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে বিভাগীয় শহরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ক্যানসারের চিকিত্সার জন্য কোবাল্ট-৬০ ও একটি ব্যাকথেরাপি মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্প্রতি রামেক হাসপাতালে লিনিয়ার এক্সিলেটর মেশিন বসানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই এটি চালু হবে। এই মেশিন বিভাগীয় শহরের সরকারি হাসপাতালে স্থাপন করা হলে ক্যানসার রোগীদের রেডিওথেরাপি ছাড়া দ্রুত উন্নত কেমোথেরাপিসহ অন্যান্য চিকিত্সা দেওয়া সম্ভব হবে। এই মেশিন চালু হলে রোগীদের দুর্ভোগ কমবে, অর্থ বাঁচবে। মেশিনটি বিভিন্ন ধরনের চিকিত্সায় ব্যবহূত হয়ে থাকে। এছাড়া এটি থ্রিডি পদ্ধতিতে চিকিত্সা দেওয়ায় আরো দ্রুত সময়ে চিকিত্সাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে। আর এটি স্থাপন করা হলে ক্যানসার হাসপাতাল স্থাপনের সাফল্য পাওয়া যাবে। বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আব্বাস উদ্দিন আহমদ
ধোপাদিঘির দক্ষিণ পাড়, সিলেট ৩১০০