বায়ুদূষণ বন্ধে অনেকগুলো কাজ করতে হবে

রাস্তায় পানি ছিটানো হচ্ছে, ইটভাটা অনেকগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ময়লা পরিষ্কারেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে—তবু ঢাকার বাতাস পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্বাস্থ্যকর! বায়ুদূষণ কমিয়ে আনার জন্য অনেকগুলো কাজ করতে হবে। ফ্যাক্টরিগুলোর ভ্যান্টিলেশন সিস্টেম উন্নত করতে হবে, সব ধরনের এক্সোস্ট সিস্টেমে ফিল্টার লাগাতে হবে, ধোঁয়া উত্পন্নকারী মেশিনের মেইনটেনেন্স যথাযথভাবে ও নির্দিষ্ট সময় পর পর করতে হবে, যানবাহনের ধোঁয়া নির্গমনের পথ একেবারে নিচের দিকে দেওয়ায় ধুলো বেশি উড়ে বায়ুদূষণ করে—এ বিষয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। যত ধরনের এসি ব্যবহার হয় সেগুলো থেকে নির্গত বায়বীয় পদার্থ যথাযথ মানে থাকে কি না সেগুলো চেক করতে হবে, জেনারেটরের ধোঁয়া বের হওয়ার পথ সঠিক উচ্চতায় দিতে হবে (অনেক কোম্পানি-বাসা-হোটেলের জেনারেটরের ধোঁয়া নির্গমনের পথ সরাসরি রাস্তার দিকে দেওয়া হয়), রান্নার কাজে লাকড়ির ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে, ময়লার ভাগাড়গুলোতে পুড়িয়ে ধোঁয়া উত্পন্ন বন্ধ করতে হবে, যে কোনো এক্সোস্টের যথাযথ নির্গমন নিশ্চিত করতে হবে, ধুলোর আধিক্য কমাতে হবে, রাস্তার দুপাশে ঘাস বপন করতে হবে, ফোয়ারা বাড়াতে হবে, হোটেলগুলোতে যে ধোঁয়া উত্পন্ন হয় তা কমিয়ে আনার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে, বাতাসে এসপিএম কেন বাড়ছে সে বিষয়ে গবেষণা বাড়াতে হবে এবং শহরের রাস্তাগুলো পরিষ্কারে সার্বক্ষণিক ব্যবস্থা রাখতে হবে। এগুলো করতে না পারলে বায়ুদূষণ কমানো সম্ভব নয়। দূষণ কমানোর জন্য মানুষকে জানাতে হবে এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে।

সাঈদ চৌধুরী, শ্রীপুর, গাজীপুর