ব্যান্ডদল মাইলস। ৪০ বছরপূর্তির এই ওয়ার্ল্ড ট্যুর শেষে নতুন কী বার্তা আছে ভক্তদের জন্য! সেটিই জানালেন ব্যান্ডটির দলনেতা ও গিটারিস্ট হামিন আহমেদ।
সাক্ষাত্কার নিয়েছেন তানভীর তারেক
প্রথমে অভিনন্দন। ৪০ বছর ধরে দর্শক-শ্রোতার সঙ্গে এই সম্পৃক্ততা। সারাবিশ্বের রেকর্ড কনসার্ট করে দেশে ফিরে উদযাপন। এক কথায় অনুভূতির কথা কী বলবেন?
অসাধারণ সব স্মৃতি। কী বলবো, দর্শকদের জন্যই তো আমার এই একটা জীবন পার করে দেওয়া। সেই দর্শকরা বড় হয়েছে, ছেলে সন্তান হয়েছে, তারাও আমাদের ভালোবেসে আগলে রেখেছে। সত্যিই এক জীবনে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
এরপরও নতুন আপডেট শুনতে চাই। নতুন কী আসছে মাইলস ভক্তদের জন্য?
দারুণ কিছু আসছে। নিয়মিত কনসার্ট তো চলছেই। তবে দর্শকদের জন্য দারুণ একটি খবর হলো আমাদের ওয়ার্ল্ড ট্যুর নিয়ে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি রিলিজের পরিকল্পনা রয়েছে। এটা দারুণ একটা উপহার হবে বলে আমার বিশ্বাস।
ক্লান্তি আসে না তাহলে আপনাদের। নতুন কোনো গান রিলিজের খবর কী আসবে?
আসবে খুব জলদিই। আসলে এই শীত মৌসুমে আমাদের টানা কনসার্টেই দৌড়াতে হয়। তাই এই ব্যস্ততার পেরুলেই মাইলসের নিউ ট্র্যাক আসবে।
ভিডিও ডকুমেন্টারির কথা যেহেতু বললেন। সেটা কী ফিল্ম হিসেবে রিলিজের কোনো প্ল্যান আছে কি-না। বাইরের দেশের বড় বড় ব্যান্ডগুলোতে যেমনটা হয়। এমনকি নেটফ্লিক্স বা এ রকম কোনো প্লাটফর্মে কী রিলিজ দেবেন কি-না...
হতে পারে, তবে এখনও এটির টোটাল সম্পাদনা শেষ হয়নি। আমরা সবাই মিলে টোটাল ডকুফিল্মটা দেখেই সিদ্ধান্ত নেবো।
একইদিনে আর্টসেলের ২০ বছরপূর্তি, মাইলসের ৪০ বছরপূর্তি। এটা আলাদা আলাদা সময়ে করা যেত না। কারণ আপনাদের কমন অনেক দর্শক রয়েছে, যারা দুটো ব্যান্ডকেই দেখতে চায়...
অন্যদের কথা বাদ দিলাম। আমরাও তো আর্টসেলের এই ২০ বছরপূর্তি আয়োজনে থাকতে চেয়েছিলাম। এমনকি ওরাও আমাদেরটাতে থাকতো। মূল সমস্যাটা হয়েছে ভেন্যুর অনুমতি থেকে শুরু করে সবকিছুর আয়োজন। এই প্রক্রিয়া এতটা সময় সাপেক্ষ তাতে কারোরই কোনো উপায় ছিল না। তবে দিনশেষে এটাই সবচেয়ে আনন্দবার্তা—এদেশের সবচেয়ে বড় কৌতুহলের জায়গা হলো ব্যান্ড কনসার্ট।