ফটিকছড়িতে কাজ বন্ধ থাকা বারৈয়ার ঢালা সড়ক পরিদর্শনে এসেছিলেন সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সড়ক বিভাগ) চন্দন কুমার দে। তার নেতৃত্বে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের যৌথ একটি তদন্ত টিম বুধবার সীতাকুন্ড উপজেলার পাহাড়ী পথ সরেজমিনে হেঁটে পরিদর্শন শেষে ফটিকছড়ির হাজারী খীল এলাকায় আসেন।
এ সময় হারুয়ালছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা কোনো নতুন রাস্তা দাবি করছি না। রাস্তাটি ব্রিটিশ আমল থেকেই পাহাড়ের ভেতর দিয়ে ছিল। শুধু পাহাড়ের ভেতরের অংশটা হয়ে গেলেই এটি ঢাকা-চট্টগ্রামের বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। রাস্তাটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দূরত্ব অনেক কমাবে। এছাড়া সীতাকুন্ড এলাকার শিল্প এলাকা রাস্তাটির কারণে এ অংশেও প্রসারিত হবে। এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত যোগাযোগ সচিব বলেন, ‘বিষয়টি সরেজমিনে দেখেছি এবং স্থানীয় মানুষজনের বক্তব্যও শুনেছি। বিষয়টি সরকারকে জানানো হবে।’