রাজধানীতে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি

পৌষের শীতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি স্থানে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়েছে। সামান্য এই বৃষ্টির পর শীতের তীব্রতা কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। সেখানে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছে ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। এই শৈত্যপ্রবাহের হাত থেকে রক্ষা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে বেশ কয়েকজন অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ শুক্রবারও ঢাকাসহ কয়েক বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি দিন ও রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে এই পৌষে রাতের তাপমাত্রা ৮/৯/১০/১১/১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসছে। তবে আগামী ৩/৪ দিন পর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, আজ শুক্রবার খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা/গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া ময়মনসিংহ, রাজশাহী, নওগা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলসহ রংপুর বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের উত্তরাঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং অন্যত্র সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা, ফরিদপুর, চুয়াডাঙ্গা ও খুলনায় সামান্য বৃুষ্টি হয়েছে। আর যশোরে বৃষ্টি হয়েছে ৫ মি.মি.। গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো যথাক্রমে ২১ দশমিক ৮ ডিগ্রি ও ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ময়মনসিংহে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি, বদলগাছিতে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি, তাড়াশে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি, দিনাজপুরে ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেন, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং ময়মনসিং অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা যে পর্যায়ে নেমেছে, তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলে ধরা হয়।