মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, রাজাকারদের তালিকা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে প্রতিটি গ্রাম থেকে এলাকা থেকে উপজেলাভিত্তিক করব। ন্যাড়া একবার বেল তলায় যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা আর প্রকাশ করব না। এই তালিকা প্রকাশের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছি। আমার নাম যদি রাজাকারের তালিকায় আসত আমিও কষ্ট পেতাম। সহকর্মীর নাম আসায় আমিও একইভাবে কষ্ট পেয়েছি। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাম রাজাকারের তালিকায় আসবে এটা অসম্মানজনক, দুঃখজনক।
তিনি আরো বলেন, আমি পরাজয় মানতে রাজি নই। ভুল করেছি সেজন্য প্রত্যাহার করে নিয়েছি। আমি ওয়াদা করে যাচ্ছি রাজাকারদের তালিকা হবে, হবেই। বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলার ১১টি উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধনের ফলক উন্মোচন শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, তাড়াতাড়ি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা প্রকাশ করে চূড়ান্তভাবে নতুন করে তালিকা বন্ধ করে দিতে হবে। এটা চলমান প্রক্রিয়ায় রাখার প্রয়োজন নেই, বরং চলমান প্রক্রিয়ায় রাখতে হবে প্রকৃত রাজাকারের তালিকা।
জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে আলহাজ শহীদুজ্জামান সরকার এমপি, ছলিম উদ্দীন তরফদার এমপি, পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম, এলজিইডির প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হান্নান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার হারুন অল রশীদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় সহস্রাধিক মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।