নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পরেই ভাড়াটিয়ার খাটের নিচ থেকে উদ্ধার হয়েছে আয়েশা আক্তার ইয়াসফা (৭) নামে এক শিশুর লাশ। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ভাটারার বারোভিগা এলাকার একটি টিনশেড বাড়ি থেকে আয়েশার লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়।
নিহত আয়েশার বাবা ইয়াসিন মোল্লা একজন টেইলার মাস্টার। নিজের টিনশেড বাড়িতে থাকতেন তিনি। আর আয়েশা স্থানীয় একটি স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
শিশুটির বাবা ইয়াছিন বলেন, বিকাল থেকে মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। তার খোঁজে স্থানীয় মসজিদে মাইকিং করতে যাই। এমন সময় খবর আসে পাশের ভাড়াটিয়ার রুমে খাটের নিচে হাত পা বাঁধা অবস্থায় তাকে পাওয়া গিয়েছে। তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আয়েশাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
ভাটারা থানার ওসি জানান, ইয়াসিন মোল্লা তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে যে রুমে থাকেন, তার পাশের রুমে থাকেন এক দিনমজুর তার স্ত্রী এবং ১৪ বছর বয়সের ছেলেকে নিয়ে। ওই কিশোর ছেলেটিও দিনমজুর। লাশ উদ্ধারের পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে। তাকে খোঁজা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ