বঙ্গোপসাগরে ২৩ মাঝিমাল্লাসহ একটি ফিশিং ট্রলার ডুবে গেছে। ঘটনার পরপরই এলএনজিবাহী জাহাজ ও আরেকটি ফিশিং ট্রলার সি পাওয়ার ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গতকাল বিকালে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাকিরা নিখোঁজ ছিল। গতকাল শুক্রবার সকালে গভীর সমুদ্রে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলটি কক্সবাজার থেকে অন্তত ৩৫ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী। খবর পেয়ে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযানে নামে নৌবাহিনীর জাহাজ অপরাজেয় ও কোস্টগার্ডের জাহাজ সৈয়দ নজরুল। কোস্টগার্ডের জাহাজ সৈয়দ নজরুল একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছেন কোস্টগার্ড পূর্বজোনের স্টাফ অফিসার (অপারেশন্স) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া একজনের মরদেহ কোস্টগার্ড হেফাজতে রয়েছে। নিখোঁজ বাকি ১০ জনকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।
কর্ণফুলীতে মাঝির লাশ উদ্ধার
এদিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে লাইটার জাহাজের ধাক্কায় সাম্পান থেকে ছিটকে পড়ে নিখোঁজ মাঝি নূর আহমদের (৪৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার ৬০ ঘণ্টা পর শুক্রবার সকালে নদীর দক্ষিণ তীরে শাহ আমানত সেতুর নিচে ভাসমান অবস্থায় নূর আহমদের মরদেহ উদ্ধার করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা। নূর আহমদ কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আবুলের পুত্র। মঙ্গলবার মাঝি নূর আহমদ যাত্রী নামিয়ে ফেরার সময় তার সাম্পানকে বেপরোয়া গতির এমভি ওয়াটার কিং নামের লাইটার জাহাজ ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে পড়ে নিখোঁজ হন।