কন্যা রাশি Virgo

 [ ২২ আগস্ট - ২২ সেপ্টেম্বর ]

শাসক গ্রহ :বুধ

বৈশিষ্ট্য :মৃত্তিকা

শুভ সংখ্যা :৫

রং :ধূসর, নেভি ব্লু

ধাতু :রুপা, প্লাটিনাম

রত্ন :পান্না, মুক্তা ও ওপাল

শুভ দিন :বুধবার

সঙ্গী/সঙ্গিনী :মকর, বৃষ

 

বিখ্যাত ব্যক্তি

লিও টলস্টয়, আল-বেরুনি, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, এইচ জি ওয়েলস, ও হেনরি, মাইকেল জ্যাকসন, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, দেং চিয়াং পেং, মাইকেল ফ্যারাডে, ডা. রাধাকৃষ্ণ, সাবিনা ইয়াসমিন, রিচার্ড অ্যাটেনবরো, জেনারেল এমএজি ওসমানী, উত্তম কুমার, ইমদাদুল হক মিলন, মুশফিকুর রহিম।

 

জে নে  নি ন  আ প নি  কে ম ন  ক ন্যা

বৈশিষ্ট্য

প্রতীক :সমালোচক, কারিগর, সহকারী

মৃন্ময় বৈশিষ্ট্য :সঠিক, সুশৃঙ্খল, পরিশ্রমী,

পার্থক্য নির্ণয়ে সক্ষম, ধীমান, সত্।

ব্যক্তিত্ব :যুক্তিবাদী, তীক্ষ পর্যবেক্ষক, সঠিক পদ্ধতির

অনুগামী, সুশৃঙ্খল, নিরীক্ষক, ধীমান।

কন্যা হলো সতীত্বের প্রতীক, কিন্তু আক্ষরিকভাবে এটা বুঝে নেওয়াটা ঠিক হবে না। বিবাহিতই হোক কিংবা ব্যাচেলর, কন্যা জাতককে অনেকের মধ্যে শনাক্ত করে নেওয়াটা নেহাতই সহজ। তার একটা কারণ হলো, কন্যা জাতকেরা নিশ্চুপ থাকতে পছন্দ করে। অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলার মানুষও সে নয়, বরং সে একাকী এক কোণে স্থান নিয়েই স্বস্তিবোধ করে। কন্যা জাতকেরা জন্ম থেকেই একটি প্রবৃত্তি পেয়ে থাকে যে তারা জনবহুলতা পছন্দ করে না, আর তাই তারা বেপরোয়া সামাজিক মেলামেশায় তেমন স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। বাতাসে প্রাসাদ গড়তে কিংবা কাঠালের আমসত্ত্ব বানিয়ে খাওয়ার স্বভাব তাদের মধ্যে নেই। কন্যা জাতককে দেখে আপনার মনে তার সম্পর্কে যে ধারণাটা প্রথমে উদ্ভব হবে, সেটা হলো সে কোনো একটা বিশেষ সমস্যায় আছে এবং সমস্যাটার সমাধানের জন্য চেষ্টা করছে। কিংবা মনে হবে সে গোপনে কোনো কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করছে। কন্যাদের মনে প্রাকৃতিকভাবেই দুশ্চিন্তা চলে আসে। কেউ হয়তো বলবে যে দুশ্চিন্তা করাটা তাদের স্বভাবে পরিণত হয়েছে। তাদের অধিকাংশই অত্যন্ত আকর্ষণীয়, নাক তীক্ষ, কান-ঠোঁট সুন্দর। নিশ্চয়ই তাদের মধ্যে সৌন্দর্যের কিংবা আকর্ষণের কোনো অভাব নেই, কিন্তু কিছু কিছু খারাপ মুহূর্তে আত্মঅহংকারের ছটা এসে গায়ে লাগতে পারে। কন্যারা তাদের ফটোগ্রাফের ব্যাপারে অতিরঞ্জিত মনোভাব পোষণ করে এবং নিজেদের চেহারা নিয়েও তারা চরম খুঁতখুঁতে। যদি তাদের মস্তিষ্কে কোনো চাপ না পড়ে, তাহলে সুচারু ও সুদক্ষ কর্মক্ষমতা নিয়ে বেশ শান্তভাবেই কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। যেসব কন্যা জাতক-জাতিকা প্রায়ই ভ্রমণ করে, তারা তাদের বহনযোগ্য ওষুধের বাক্সটা সঙ্গেই রাখে। শুধু কিছু পিল ও সিরাপের বোতলের জন্য প্রয়োজনে তারা একটা অতিরিক্ত স্যুটকেসও বহন করতে রাজি। তারা স্বভাবে খুবই বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন, তাদের মধ্যে চরম মাত্রায় বৈষম্য লক্ষ করা যায়। তারাই সত্যিকার স্বাতন্ত্র্যবাদী। আগ্রহ-উপলব্ধি তাদের আকাঙ্ক্ষাকে বাজে ও বেদনাদায়ক ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করে না। কন্যার গুণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দোষও আছে অনেক। তিলকে তাল বানানো তাদের সবচেয়ে বড়ো দোষ। কন্যা জাতক-জাতিকাদের স্বপ্নের মধ্যেও একটা সুবাতাস প্রবাহিত হয়, যেটা তাদের বন্য ও কাল্পনিক স্বপ্ন বা প্রত্যাশা থেকে মুক্ত রাখে। জীবনের বিশদ ব্যাপারগুলো তার ওপর এসে চেপে বসার আগেই যদি সে সেগুলোর দখলটা নিতে সক্ষম হয়, তাহলে অন্যান্য রাশির আর সবার থেকেই জীবনে সফলতা লাভের সম্ভাবনা তার বেশি।

 

বি শে ষ জ্ঞে র  চো খে  কে ম ন  যা বে  আ প না র  ২ ০ ২ ০

বছরের শুরুটা খুব একটা ভালো না গেলেও সামগ্রিকভাবে ২০২০ সাল কন্যার জাতক-জাতিকার জন্য শুভ সম্ভাবনাময়। এ বছর অপ্রত্যাশিত সূত্র থেকে অর্থাগমের সম্ভাবনা আছে। মার্চ মাসের পর থেকে অবিবাহিতদের বিয়ের ব্যাপারে যেকোনো উদ্যোগ ফলপ্রসূ হতে পারে। দাম্পত্যে ভুল বোঝাবুঝি কিছু থাকলে এ সময় থেকে তারও অবসান হতে পারে। মাতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। এ সময় বিশেষ কোনো আশা পূরণ হতে পারে। মার্চের পর থেকে কনিষ্ঠ ভাই-বোনদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতাও পেতে পারেন। কর্মসংস্থান অথবা অন্য কোনো প্রয়োজনে বিদেশ যাত্রার উদ্যোগ ফলপ্রসূ হতে পারে। এ বছর প্রাপ্ত সুযোগকে কাজে লাগাতে চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনার চেষ্টা ফলপ্রসূ হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। কাউকে ধার-কর্য দেওয়ার ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। অন্যথায় অর্থ ও সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে। প্রবাসীদের জন্য সময় অনুকূল থাকবে। দশমে রবি, বুধ ও বৃহস্পতির দৃষ্টি থাকার ফলে বেকারদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ ফলপ্রসূ হতে পারে। বছরের শুরু থেকেই ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংযত হওয়ার চেষ্টা করুন। অন্যথায় সঞ্চয়ের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। সামগ্রিকভাবে পিতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। বিদ্যার্থীদের জন্য সময় অনুকূল থাকবে। উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হতে পারে। শরীর মোটামুটি ভালো থাকবে। তবে নারীদের কেউ কেউ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারেন। কোনো অসুস্থতাকে অবহেলা না করে প্রয়োজনে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।