পর্যটনবান্ধব সুবিধা না থাকার অভিযোগ

ইনানী সমুদ্র সৈকত

রফিক উদ্দিন বাবুল, উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা

শীত মৌসুম এলেই পর্যটকের আনাগোনা বেড়ে যায় কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে। সপ্তাহকাল ধরে বৈরী আবহাওয়া, মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেও পর্যটকের ঢল থামছে না ইনানী বিচে। কিন্তু এখানে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত রেস্টুরেন্ট এবং হোটেল-মোটেল নেই বলে অভিযোগ পর্যটকদের।

ঢাকা থেকে আগত একজন ব্যাংকার রায়হানুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, শীত মৌসুম এলেই ছেলে-মেয়েদের বায়না কক্সবাজারে যেতে হবে, তাই এবার প্রচুর কাজ থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার হয়ে ইনানী ঘুরতে এলাম। কোথায়  উঠেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইনানীতে তেমন কোনো মানসম্মত হোটেল না থাকায় কক্সবাজারে এক হোটেলে গত তিন দিন ধরে রাত যাপন করছি। এখানকার হোটেলে ও খাওয়া-দাওয়ার দাম একটু বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। কুমিল্লা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি স্কুলশিক্ষিকা সাইমা আফরিনের (৩৫) সঙ্গে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, ইনানী বিচের প্রতি সকল শ্রেণি-পেশার লোকজনের একটা আকর্ষণ থাকে। কিন্তু ইনানী বিচে এসে শেষ পর্যন্ত পস্তাতে হয়। কেন এ কথা বললেন জবাবে তিনি জানান, এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। গোসল পরবর্তী চেঞ্জিং রুমসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা না থাকায় পর্যটকরা ইনানীতে এসে তেমন কোনো আনন্দ উপভোগ করতে পারছে না।  স্থানীয় পর্যটক মো. শরীফ, শামসুল আলম ও নুর মোহাম্মদসহ আরো বেশ কয়েকজন পর্যটক জানান, তারা রামু থেকে এসেছেন। এখানে প্রচুর পর্যটকের সমাগত ঘটলেও নিরাপত্তার তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকেরা নানারকম হয়রানির শিকার হন।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইনানী বিচ ম্যানেজম্যান্ট কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, ইনানী বিচকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য সরকার মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। যা বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে কাজ চলছে।