বছর শেষে জনপ্রশাসনে বড়ো ধরনের রদবদল আর পদোন্নতি দেওয়া হলো। অতীতে একসঙ্গে এত সচিবের পদোন্নতি বা রদবদল হয়নি। এবার অবশ্য একইসঙ্গে বেশ কয়েকজন সচিবের অবসরজনিত কারণে এটি করতে হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ১৯৮৬ ব্যাচের কর্মকর্তা স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন। তিনি ছয় মাস আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব থেকে সচিব পদে পদোন্নতি পান এবং ঐ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ফয়েজ আহমেদের চাকরির মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে। গতকাল সোমবার পৃথক পৃথক আদেশে আরো যেসব কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় বা অন্যত্র বদলি করা হয় তারা হলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বেগম জুয়েনা আজিজকে তিন বছরের জন্য এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক নিয়োগ করা হয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিছুর রহমানকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম কামরুন্নাহারকে তথ্য মন্ত্রণালয়ে সচিব. পদোন্নতি দিয়ে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আলী নূরকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব করা হয়েছে। নতুন ধর্মসচিব হয়েছেন জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. নুরুল ইসলাম। ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জয়নুল বারীকে পদোন্নতি দিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে। রাজউকের চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদকে বিদ্যুত্ বিভাগের সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউসকে আগেই প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব হোসেনকে শিক্ষা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রওনক আহমেদকে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম খানকে সচিব করে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান পদের নিয়োগ আজ-কাল হতে পারে। এদুটি পদও শূন্য হচ্ছে। এছাড়া অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব তাহমিনা বেগম এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফারুক আহমেদকে গ্রেড-১ মর্যাদায় বিদ্যমান পদে বহাল রাখা হয়েছে।