জাতীয় দলে ফেরাই তাসকিনের মূল লক্ষ্য

প্রায় দুই বছর জাতীয় দলের বাইরে তাসকিন আহমেদ। সর্বশেষ ২০১৮ সালের মার্চে বাংলাদেশের হয়ে খেলেছিলেন ডানহাতি এই পেসার। ইনজুরি, পড়তি ফর্ম মিলে সময়টা ভালো কাটেনি তাসকিনের। চলমান বঙ্গবন্ধু বিপিএলে রংপুর রেঞ্জার্সের একাদশ থেকেও বাদ পড়েছেন তিনি। বছর শেষের দিনে (গত ৩১ ডিসেম্বর) একাদশে ফিরেই ২৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন। বোলিংয়ে ছন্দ ফিরে পাওয়া এই পেসার নতুন বছরে তিন ফরম্যাটেই জাতীয় দলে নিয়মিত হতে চান।

রাজশাহী রয়্যালসের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন জানিয়েছেন, ২০২০ সালে নিজের লক্ষ্যের কথা। জাতীয় দলে ফেরাটাই তার মূল লক্ষ্য। অবশ্য লিটন কুমার দাস, গোটা বছর নয় নির্দিষ্ট দিন ধরে এগিয়ে যেতে চান। প্রতিনিয়ত উন্নতির দিকেই ফোকাস করছেন এই তরুণ ওপেনার।

ঢাকায় তৃতীয় পর্বের শেষ ম্যাচে রংপুর ৪৭ রানে হারিয়েছিল রাজশাহীকে। বল হাতে তাসকিন দলের জয়ে অবদান রেখেছিলেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে নতুন বছরের প্রত্যাশা সম্পর্কে জানতে চাইলে ২৪ বছর বয়সি এই পেসার বলেছেন, ‘চেষ্টা করব যে নতুন বছরটা যেন ভালো যায়। যে জিনিসগুলো ২০১৯ সালে পাওয়ার ইচ্ছে ছিল কিন্তু পাইনি ২০২০ সালে যেন এগুলো পেতে পারি। মনের ইচ্ছেগুলো যেন পূরণ হয়।’

তিন ফরম্যাটেই জাতীয় দলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চান তাসকিন। দলে জায়গা পাকা করার দিকেও গুরুত্ব দিবেন তিনি। ডানহাতি এই পেসার আরো বলেছেন, ‘নিজের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারি, পারফরম্যান্সটা যেন আরো ভালো করতে পারি। বাংলাদেশের হয়ে আরো প্রতিনিধিত্ব করতে পারি। বাংলাদেশকে যেন ম্যাচ জেতাতে পারি এটাই ইচ্ছে থাকবে। আগের মতো সব ফরম্যাটে বাংলাদেশের হয়ে সুযোগ পাওয়া। দলের একজন মূল খেলোয়াড় হওয়া। যেটা প্রায় ৪-৫ বছর সব ফরম্যাটে খেলেছি। মাঝখানে এক দেড় বছর অনিয়মিত জাতীয় দলে। আমার স্বপ্ন থাকবে ভবিষ্যতে আবার যেন বাংলাদেশ টিমের মূল খেলোয়াড় হই।’

বিপিএলে ৮ ম্যাচে ২৩৬ রান করেছেন লিটন দাস। রাজশাহীর হয়ে খেলা এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান একটি হাফ সেঞ্চুরিও করেছেন। নতুন বছর নিয়ে ভাবনার কথা জানাতে গিয়ে লিটন বলেছেন, পাশে বসে থাকা তাসকিনের মতো বড়ো লক্ষ্য নেই তার। তিনি বলেছেন, ‘আমার ওর (তাসকিন) মতো এতো বড়ো কিছু নাই। বছর অনেকদিন অনেক বড়ো একটা সময়। পরের দিন কি হবে এটাই গুরুত্বপূর্ণ। কিভাবে কি করলে উন্নতি করতে পারি সবকিছু আর কি।’