গ্রিক দেবতাদের মতো কিছুটা মেয়েলি সৌন্দর্যে ভরা
যুবকটি জানাল, সেলাইকর্মে সে যথেষ্ট নিপুণ।
একটু ঝুঁকে ফুলতোলা সালোয়ারের পাপড়িটি খুলে নিল সে
টুপ করে চাবিটা ঠিক তখনি পড়ে গেল নিচে।
জানালাম, আমি জিগোলো চাইনি
চওড়া হাড়ের কব্জিওয়ালা
একজন প্রেমিক পুরুষ খুঁজেছি এতকাল
যার নামে হুলিয়া জারি করা আছে।
তিনতলার রংচটা ক্যাম্বিসের ইজিচেয়ার ফুলে ফুলে উঠছে
ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দে ঘুম ভেঙে গেছে অন্তঃপুরের
মেঝে থেকে মোচড়ানো সালোয়ার তুলে নিতে নিতে দেখলাম
তাবত্ রমণীকুলের চোখে ধনুষ্টংকার ঈর্ষা।
সবাইকে জানাতে ইচ্ছে করলো কিংবা সবাই জানলো
বুনোফুল পরিচর্যা ছাড়াও দারুণ রূপ নিয়ে বাড়ে
চোর সদৃশ যে সুদর্শন পুরুষ এতক্ষণ ঘরে লুকিয়েছিল
তাকে আমি ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দরজা বন্ধ করে দিলাম।