কৃষি জমিতে পুকুর খনন! রাণীনগরে কমছে ফসলি জমি

রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা

রাণীনগরে দিনের পর দিন তিন ফসলি কৃষিজমিগুলো পরিণত হচ্ছে পুকুরে। এতে করে উপজেলায় আশঙ্কাজনক হারে কমছে কৃষিজমি।

জানা গেছে, উপজেলার আটটি ইউনিয়নে নদী-নালা, খাল-বিল বাদে প্রায় সাড়ে ২১ হাজার হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। ভূমি আইনের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে আবাদি কৃষিজমিতে পুকুর খনন করায় দিন দিন কমে যাচ্ছে ফসলি জমি। অন্যদিকে পাশের জমির কৃষকরা বিভিন্ন সমস্যার কারণে ধান রোপণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন। ফলে বাধ্য হয়েই কেউ চলে যাচ্ছেন পুকুর দস্যুদের কাছে আবার কেউ জমি চাষ না করে ফেলে রাখছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, কৃষিজমিতে স্কেবেটার মেশিন দিয়ে মাটি কেটে পুকুর খননের কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ায় মিরাট ইউনিয়নের আতাইকুলা মৌজার বেশকিছু জমিতে চলতি মৌসুমে বোরো ধান না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আসছি পুকুর খনন থেকে বিরত থাকার জন্য। এছাড়াও কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করাসহ দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, বিষয়টি সম্প্রতি জেনেছি। এদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।