নলছিটিতে বলগেটের ধাক্কায় সেতু ক্ষতিগ্রস্ত :ভেঙে পড়ার আশঙ্কা

এইচ এম আখতারুজ্জামান বাচ্চু, নলছিটি (ঝালকাঠি) সংবাদদাতা

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে সোমবার সকালে বলগেটের ধাক্কায় একটি আয়রন সেতুতে ফাটল ধরেছে। ভেঙে গেছে সেতুর নিচের লোহার পিলার। এ অবস্থায় সেতুটি যে কোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, সুগন্ধা নদী থেকে বালু নিয়ে একটি বলগেট কুলকাঠি খাল দিয়ে পাওতা গ্রামে যাচ্ছিল। বলগেটটি গোবিন্দপুর গ্রামে এলে আয়রন সেতুর নিচের লোহার পিলারে ধাক্কা লাগে। এতে পিলারটি ভেঙে গিয়ে সেতুর মধ্যখানে একটি ফাটল ধরে। যে কোনো সময় সেতুটি ভেঙে খালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। সেতুটি দিয়ে প্রধানত ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ও নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। সেতু পারাপার করে গোবিন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং অপর প্রান্তের শহিদীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেতুটি ভেঙে পড়ার আগেই ভেঙে যাওয়া পিলার ও ফাটল মেরামতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ২০০৬ সালে এলজিইডি বিভাগ কুলকাঠি খালের ওপর আয়রন সেতুটি নির্মাণ করে। সেতুটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন এলজিইডি কর্তৃপক্ষ।

গোবিন্দপুর গ্রামের রশিদ মৃধা বলেন, খাল দিয়ে বলগেট ও ড্রেজার চলাচল সাবধানে করার জন্য এরই মধ্যে বলা হলেও কেউ কথা শুনছেন না। আমাদের গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সেতুটির লোহার পিলার ভেঙে গেছে, ওপরে ফাটল ধরেছে। যে কোনো সময় ভেঙে যেতে পারে সেতুটি। ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বলগেটের মালিক ফাহাদ হোসেন বলেন, বলগেটের শ্রমিকরা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছে, আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। আমাদের বলগেটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে কিছু একটা করব। উপজেলা প্রকৌশলী মীর মো. আখতারুজ্জামান বলেন, সেতুটির পিলার ভেঙে গেছে এবং ওপরে ফাটল ধরেছে। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, পরে  ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কুলকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম জানান, এরই মধ্যে সংসদ সদস্য ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।