জরিমানা করে, হাজত খাটিয়ে কিংবা ফাঁসি দিয়ে জঙ্গিবাদ বন্ধ করা যাবে না। কারণ, উগ্রবাদের চাষাবাদ হয় মস্তিষ্কে। এই জায়গায় আমরা আঘাত হানতে চাই। তরুণদেরও এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। এ ক্ষেত্রে তরুণদের সচেতন হতে হবে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক কর্মশালায় এ কথা বলেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম। ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ’ শীর্ষক ঐ কর্মশালার আয়োজন করে দর্শক শ্রোতা পাঠক (ডিএসপি) ও উত্সর্গ বাংলাদেশ।
কর্মশালার আলোচনায় মনিরুল ইসলাম বলেন, জঙ্গিবাদ, উগ্রতা দমন বা নিয়ন্ত্রণ করা শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ নয়, এ কাজ সবার। সবাইকে এ কাজে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার, শিক্ষাব্যবস্থা, সুশীল সমাজ, সংস্কৃতিকর্মী, মসজিদের ইমাম, আলেমদের সবকিছুর সঠিক ব্যাখ্যা দিতে হবে। তাহলেই সম্প্রীতির সংস্কৃতি, পরমতসহিষ্ণু মানসিকতার একটা সহনশীল প্রজন্ম গড়ে উঠবে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, মুসলমান যাদের মুখ্য পরিচয় হবে না। তারা মানুষ, বাঙালি।
কর্মশালায় বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা ও ডিএসপির সভাপতি জিয়াউল হাসান, বাংলাদেশের রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটস জাফর রাজা চৌধুরী, যাত্রাশিল্পী জ্যোত্স্না বিশ্বাস, ডিএসপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল আলম।