জরিমানার মুখে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা

স্পোর্টস ডেস্ক

জরিমানার মুখে দাঁড়িয়ে আছে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটাররা। দেশটির ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা কোনো ক্রিকেটারের ফিটনেসজনিত সমস্যা থাকলে তাকে জরিমানা করা হবে।

আগামীকাল ও এরপরের দিন মানে ৬ ও ৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ক্রিকেটারদের চতুর্থবারের মতো ফিটনেস টেস্ট নেওয়া হবে। এর আগে ক্রিকেটারদের সতর্কবার্তা দিল পিসিবি। ফিটনেস টেস্ট পরিচালনা করবেন পাকিস্তানের স্ট্রেন্থ ও কন্ডিশনিং কোচ ইয়াসির মালিক।

পিসিবির আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিষয়ক পরিচালক জাকির খান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা সবসময়ই ক্রিকেটারদের ফিটনেসে জোর দেই। তাদের ফিনটেসের উন্নতি-অবনতির দিকে কড়া নজর রাখি। আর যেহেতু ওরা আমাদের চুক্তির আওতায় আছে, তাই ওদের ফিটনেসের খেয়াল রাখাটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। পুরো বছর জুড়েই ওদের ফিটনেসের দিকে আমাদের চোখ থাকবে যাতে করে ওরা আরো বেশি দায়িত্ববান হয়ে ওঠে। একজন পেশাদার ক্রীড়াবিদের জীবনে ভালো ফিটনেসের কোনো বিকল্প নেই। গেল মাসেই খেলোয়াড়দের এই ব্যাপারে পিসিবির চাহিদা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফিটনেস ধরে রাখা না গেলে পিসিবি কি সিদ্ধান্ত নেবে—তার ব্যাপারেও খেলোয়াড়রা অবগত আছে।’

যদি কোনো ক্রিকেটার ন্যূনতম ফিটনেসের মাত্রা ছুঁতে না পারে তাহলে তার মাসিক পারিশ্রমিকের ১৫ শতাংশ কেটে রাখবে পিসিবি। আর এটা ততদিন অবধি চলবে যতদিন না ঐ ক্রিকেটার কাঙ্ক্ষিত ফিটনেসে পৌঁছাতে না পারছেন। আর বারবার ফিটনেস টেস্টে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ক্যাটাগরির অবনমনও হতে পারে।

দুই দিনের এই ফিটনেস টেস্টে মোটামুটি শীর্ষ সব পাকিস্তানি ক্রিকেটার থাকলেও থাকবেন না তিন জন। তারা হলেন দুই পেসার ওয়াহাব রিয়াজ, মোহাম্মদ আমির ও লেগ স্পিনার শাদাব খান। তারা এই মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে অংশ নিতে ব্যস্ত। তাদের ফিটনেস টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ ও ২১ জানুয়ারি।