ছাত্রলীগের পূর্ণ দায়িত্ব পেলেন জয়-লেখক

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসা আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য ‘ভারমুক্ত’ হলেন। গতকাল শনিবার রাজধানীর সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দুজনকে নিজ নিজ পদের পূর্ণ দায়িত্ব দেন তাদের সাংগঠনিক নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ফলে কাউন্সিল ছাড়াই নিয়মিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন জয় ও লেখক।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী গত সেপ্টেম্বরে অব্যাহতি পাওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্বে এসেছিলেন জয় ও লেখক। গতকাল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় নেত্রীর কাছে জয় ও লেখকের ভারমুক্তির প্রস্তাব তোলেন। এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, এখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রস্তাব করেছে ছাত্রলীগের দুজনের ভার উঠিয়ে দিতে। ভার উঠিয়ে দিলাম। আজ থেকে তাদের ওপর আর ভার নেই, তাদের ভারমুক্ত করে দিলাম। সামনে মুজিববর্ষ, ছাত্রলীগকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

বরিশালের ছেলে জয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পড়েছেন। এখন ক্রিমিনোলজি বিভাগ থেকে সন্ধ্যাকালীন মাস্টার্স করছেন তিনি। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হওয়া লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের ছাত্র। এখন স্নাতকোত্তর করছেন তিনি। যশোরের মনিরামপুরের ছেলে লেখক ঐ এলাকার এমপি ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের ভাতিজা।

প্রসঙ্গত, ছাত্রলীগের সর্বশেষ ২৯তম জাতীয় সম্মেলন হয়েছিল ২০১৮ সালের ১১ ও ১২ মে। নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই শেষ হয় সম্মেলন। আড়াই মাস পর ৩১ জুলাই শোভনকে সভাপতি ও রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে সম্মেলনের আগেই বিদায় নিতে হয় শোভন ও রাব্বানীকে।