ওরা পাঁচজন। শাহাদত খান, আফতাই উদ্দিন রাহাত, জাহিদুর রহমান ওরফে জাবেদ, জাহাঙ্গীর আলম, ও ফরিদ হোসেন ওরফে আসলাম। দেখতে ফিটফাট ভদ্রলোক। কথা বার্তাও তেমনি। কোনভাবেই বিশ্বাস করার উপায় নেই যে তারা তিতাসের আসল নয়, ভুয়া কর্মকর্তা।
কিন্ত খোদ রাজধানীতেই তারা তিতাসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে লাইন সংযোগ দেয়ার কথা বলে হাতিয়ে নিচ্ছিল টাকা। আর এ কাজটি করে যাচ্ছিল গত কয়েক বছর ধরে। কিন্তু কোন অবস্থায় তাদেরকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মুখোমুখি হতে হয়নি। সর্বশেষ সিআইডি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হবার পর তারা অকপটে স্বীকার করে তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ডের কথা।
সিআইডির মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার শারমিন জাহান জানান, সিআইডি পুলিশ গত শনিবার পুরনো ঢাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণামূলকভাবে নেয়া এক লাখ ২০ হাজার টাকা আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
আরো পড়ুন : অফিসে ডেকে নারী সাংবাদিককে আপত্তিকর প্রস্তাব ট্রাম্পের
তিনি জানান, আসামিরা তিতাস গ্যাসের লাইন সংযোগকারী প্রতারকচক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাসা বাড়িতে, বাণিজ্যিক ভবনে ও রেস্তোরাঁয় গ্যাস লাইন সংযোগের প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিত।
সিআইডির এ কর্মকর্তা আরও বলেন, আসামিরা ও তাদের সহযোগীরা মিলে বংশাল থানা এলাকার বাসিন্দা আল মাসুদের ফুলবাড়ীয়ার সেক্রেটারি রোডের রেস্তোরাঁয় ৩০০ সিএফটি গ্যাস লাইন সংযোগ দেয়ার নামে ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। আরও এ ঘটনা তদন্ত করতে গিয়েই এ চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। এ চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
ইত্তেফাক/ইউবি