জমজমাট বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উত্সব

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রসারের মাধ্যমে শিল্প-সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে শিল্পকলা একাডেমিতে চলছে ২১ দিনের ‘বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উত্সব ২০২০’। গতকাল রবিবার ছিল ২১ দিনব্যাপী এই উত্সবের তৃতীয় দিন। এদিন বিকালে একাডেমির নন্দনমঞ্চের সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে একাডেমির শিল্পীরা। এরপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ঢাকার শিল্পীরা পরিবেশন করে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী। দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করে কারিশমা আবৃত্তি সংগঠনের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পী শুপ্ত, হিসাম, সাফিন, সাফান, জাবের ও লিথি। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ একাডেমি অফ ফাইন আর্টস। দলীয়সংগীত পরিবেশন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন বহ্নিশিখা। এরপর জেলার পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে আসে মেহেরপুর জেলার শিল্পীরা। এতে ‘মেহেরপুর আমাদের মেহেরপুর’ সমবেত সংগীতটি পরিবেশন করে সুলতানা টনি, রোকসানা, রাসেল, আমজাদ হোসেন, আসাদুল ইসলাম, মিনারুল ইসলাম ও জিনারুল ইসলাম। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে অনামিকা, প্রিয়া, অনুভা, প্রজ্ঞা, আরিফা, মায়াবী, বনান্তী, হূদিতা, ফারিয়া। যন্ত্রসংগীত পর্বে বাঁশিতে সুর তোলেন মো. আশিকুর রহমান লাল্টু। একক সংগীত পরিবেশন করে জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী তানিম মাহমুদ ও উপজেলা পর্যায়ের ফৌজিয়া আফরোজ তুলি। এরপর জেলার পরিবেশনা পর্বে সমবেত সংগীত, সমবেত নৃত্য, একক সংগীত পরিবেশন করে কুড়িগ্রাম জেলার শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী সাজু ও উপজেলা পর্যায়ের শিল্পী মুনতাহিনা মামুন মুমু। কুষ্টিয়া জেলার পরিবেশনায় সমবেত নৃত্য, সমবেত সংগীত, একক সংগীত পরিবেশন করেন সরকার আমিরুল ইসলাম। যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন সুজন, জাহিদ, বাসুদেব চক্রবর্তী ও আশি।

সবশেষে রাত ৮টায় একাডেমি প্রাঙ্গণে দর্শনীর বিনিময়ে অনুষ্ঠিত হয় শিল্পকলা একাডেমি কুড়িগ্রাম পরিবেশিত লোকনাট্য ‘হামার কুড়িগ্রাম’। ২৩ জানুয়ারি শেষ হবে ২১ দিনের এই সাংস্কৃতিক উত্সব।