জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) হামলায় ভারত জুরে চলছে সমালোচনার ঝড়। সেই সমালোচকদের খাতায় নাম লেখালেন হায়দ্রাবাদের এআইএমইএম প্রেসিডেন্ট ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আসাউদ্দিন ওয়েসি। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করে মোদি সরকারের কাছে তার ব্যাখ্যা জানতে চান তিনি। এক টুইট বার্তায় জেএনইউ শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়ে ওয়েসি বলেন, আমি এবং আমার দল জেএনইউ শিক্ষার্থীদের পাশে আছি।
এ সময় সরাসরি বিজেপির নাম না নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে ওয়েসি বলেন, প্রতিবাদী ছাত্রদের কণ্ঠ যারা শুনতে চায় না, এই জঘন্য কাজ তারাই করেছে।
টুইট বার্তায় তিনি আরো লেখেন, 'শিক্ষার্থীরা সাহস করে প্রতিবাদ করেছিলেন। তার শাস্তি দিতে এই নৃশংস হামলা! এটা এতটাই ঘৃণ্য হামলা, যে দু'জন অসহায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন বিরোধিতা করে টুইট করতে ‘
বিজেপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘মোদি সরকার জবাব দিক, গুণ্ডাদের শায়েস্তা করতে পুলিশ কেন সক্রিয় হয়নি?’
রবিবার রাতে ভারতরে জেএনইউতে হামলা চালায় মুখোশধারী একদল সন্ত্রাসী। এ সময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অধ্যাপকদের ওপরও হামলা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বাহিনী এবং পুলিশের কাছ থেকেও এ সময় সহযোগিতা পায়নি বলে অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, গোটা ঘটনার পিছনে বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপির হাত আছে। যদিও এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বলে দায় এড়িয়ে গেছে ওই ছাত্র সংগঠন।
In solidarity with the brave students of JNU
— Asaduddin Owaisi (@asadowaisi) January 5, 2020
This cruel attack is meant to ‘punish’ JNU students because they dared to stand up
It’s so bad that even Union Ministers are tweeting helplessly. Modi Sarkar must answer why cops are siding with goons https://t.co/H0kRQyy6a8
এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অধ্যাপক মিলিয়ে প্রায় ২৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। যাঁদের মধ্যে প্রায় ৭-৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ। এনডিটিভি।
ইত্তেফাক/আরএ