শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে ৯ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ

ঘন কুয়াশার কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুটে প্রায় ৯ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর অবশেষে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় পুনরায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। টানা ৯ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় ছিল প্রায় পাঁচ শতাধিক বিভিন্ন প্রকার যানবাহন। এসবের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের সংখ্যাই ছিল বেশি। এ সময় কনকনে শীতে দীর্ঘ সময় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটস্থ সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, রবিবার রাত ১টা ৩০ মিনিট থেকে এ নৌ-রুটের পদ্মার অববাহিকায় ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। যার ফলে নিরাপত্তার স্বার্থে এ নৌ-রুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ। এ সময় শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ও কাঁঠালবাড়ী ঘাট থেকে ছেড়ে আসা কেটাইপ ফেরি কাবেরী, কপোতী, কুমিল্লা, রোরো ফেরি শাহ-পরান, ড্রাম ফেরি টাপলো, রায়পুরা, রামশ্রীসহ বেশ কটি ফেরি যানবাহনসহ মাঝ নদীতে নোঙর করে রাখা হয়। পরে সোমবার সকালে কুয়াশা কেটে গেলে এসব ফেরি শিমুলিয়া ও কাঁঠালবাড়ী ঘাটে এসে পৌঁছায়। অপরদিকে লোড অবস্থায় রোরো ফেরি শাহ-মকদুম ও কেটাইপ ফেরি ক্যামিলিয়া শিমুলিয়া ঘাটে নোঙর করে রাখা হয়। পরে সকালে এসব ফেরি কাঁঠালবাড়ী ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

বিআইডব্লিউটিসির মেরিন অফিসার এ কে এম শাহজাহান জানান, বর্তমানে দুটি রোরো শাহ-পরান, শাহ-মকদুম, কেটাইপ ফেরি ক্যামেলিয়া, কপোতী, কাবেরী, ড্রাম ফেরি রানীক্ষেত, রামশ্রী, রায়পুরা, লেটিং, টাপলো, যমুনা ও মিডিয়াম ও ছোট ফরিদপুর, কুমিল্লা ও কর্নফুলীসহ মোট ১৪টি ফেরি চলাচল করছে এ নৌ-রুটে।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের টিআই মো. হিলাল উদ্দিন জানান, কুয়াশা কমে আসলে গতকাল সকাল থেকে ফের ফেরি, লঞ্চ ও সি-বোট চলাচল শুরু হয়।