ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ, দ্রুত বিচার দাবি বিভিন্ন সংগঠনের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, নারী সংহতি, ঐক্য ন্যাপসহ বিভিন্ন সংগঠন। এ ঘটনায় প্রশাসনের অবহেলা ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে গতকাল সোমবার পৃথক বিবৃতিতে তারা বলেন, সারাদেশে একের পর এক নারী-শিশু ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে চলেছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্যমতে, ২০১৯ সালে সারাদেশে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১ হাজার ৪১৩ জন। ২০১৮ সালে যা ছিল ৭১৩। এক বছরেই ধর্ষণের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের সর্বোচ্চ কাঠামো থেকে পরিবার পর্যন্ত নারীবিদ্বেষী চিন্তাকাঠামো বিদ্যমান। পাশাপাশি নারীর নিরাপত্তা প্রশ্নে সরকার ও রাষ্ট্র ব্যর্থতা ও উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে।

নারী সংহতির নেতারা ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, গণপিটুনিসহ যে কোনো ধরনের সহিংতা প্রতিরোধে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। নারী সংহতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাসলিমা আখতার এবং সাধারণ সম্পাদক অপরাজিতা দেব যৌথ বিবৃতিতে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তির আওতায় আনার দাবি করেছেন।

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি জিয়াউদ্দিন তারেক আলী ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ এক বিবৃতিতে বলেন, সকল প্রকার নারী নিপীড়নের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বিধানের ব্যবস্থা নেওয়া গেলে সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে নারী-শিশু নিপীড়নের ঘটনা বন্ধ করা সম্ভব।

ঐক্যন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ ভূইয়া বিবৃতিতে বলেন, আমরা ধর্ষণের শাস্তি বিধানে জরুরি ভিত্তিতে বিচারকার্য সমাধানের দাবি জানাচ্ছি এবং দেশের সব যৌন নিপীড়ন, নির্যাতন ও অনিয়মের বিচারিক ব্যবস্থার কার্যকর উদ্যোগ ও প্রশাসনিক দুর্বলতা নিরসনে জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।