বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের সেক্রেটারি পদে নির্বাচিত হন ওমর সানী। ফিল্ম ক্লাবের নিয়মানুযায়ী সদস্য পদে বিজয়ীদের মধ্য থেকে একজনকে সেক্রেটারি নির্বাচন করেন সভাপতি ও ক্যাবিনেটের সদস্যরা। নতুন দায়িত্ব নিয়ে নতুনভাবে কাজের পরিকল্পনা, সিনেমার উন্নতি নিয়ে কাজ ও অন্যান্য ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে কথা বললেন তিনি। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
সম্প্রতি বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পেলেন। নতুন এই দায়িত্ব নিয়ে সামনে কাজের পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাই—
সবার কাছে কৃতজ্ঞ প্রকাশ করছি। যারা আমাকে এই পদে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। বড় কথা, আমার ওপর আস্থা রেখেছেন তারা। শুরুতে ক্লাবটিকে আমরা সুন্দর গঠন পদ্ধতিতে সাজাতে চাই। আমাদের ক্লাবের সঙ্গে সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেক সিনিয়ররা রয়েছেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ক্লাবটি নতুনভাবে আসবে। আপাতত আমাদের পরিকল্পনা ক্লাবটির অবস্থা ঠিক করা। কারণ এখন ক্লাবের যে অফিস রয়েছে সেখানে বসার মতো অবস্থাও নেই। এই কাজগুলো শুরু করবো। কারণ ক্লাব সবার জন্য, সবাই এখানে আসবেন। একটি মিলনমেলার স্থান হবে এটি। এছাড়া আমরা শিগগিরই একটি পিকনিকের আয়োজন করবো।
সিনেমার এখনকার অবস্থা খুব বেশি ভালো না। আপনাদের কার্যক্রমের মধ্যে সিনেমা উন্নতি নিয়ে কোনোকিছু থাকবে কি-না?
সেটা তো অবশ্যই। যেহেতু সিনেমার মানুষদের ক্লাব এটি। সিনেমার সার্বিক বিষয়ে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।
শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অনেকেই নেতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। এরমধ্যে আপনিও ছিলেন। এই নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
বেশ ভালো অভিজ্ঞতা। আমাদের নির্বাচন কমিশনারকে ধন্যবাদ। তিনি বেশ সুষ্ঠুভাবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেছেন।
সিনেমার সংশ্লিষ্টরা কথিতভাবে দুই ভাগে বিভক্ত। সিনেমার জন্য কী এই দূরত্ব কমিয়ে আনা প্রয়োজন মনে করেন?
সেটিতো অবশ্যই। ইন্ডাস্ট্রি আমাদের সবার। তাই সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই ভালো কিছু সম্ভব। কিন্তু এই দূরত্ব আমরা তৈরি করেনি। আর যারা দূরত্ব তৈরি করেছেন তাদের সংখ্যা কিন্তু খুব বেশি না। আরা তারা পরিপূর্ণ শিল্পীও না।
আপনার কাজের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে জানতে চাই—
এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা ইদানিং কঠিন। আমাদের শীর্ষ তারকা শাকিব খানের হাতে যখন সিনেমার সংখ্যা কম সেখানে আমাদের কাজের পরিধিটা আরো কম। তবুও মাঝে মাঝে মেকআপ নিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াই। ১২ মাস মেকআপ নিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে চাই। একজন শিল্পী হিসেবে অভিনয়ের ক্ষুধা তো সবসময় থাকে।