বেশি দিন হয়নি অভিনয়ের দুনিয়ায় জান্নাতুল সুমাইয়া হিমির পথচলার। কিন্তু এর মধ্যে নির্মাতাদের কাছে যেমন নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছেন, ঠিক তেমনি দর্শকেরও পছন্দের অভিনেত্রীতে পরিণত হয়েছেন তিনি। নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটিতে বিবিএর শিক্ষার্থী হিমিকে পড়াশোনা নিয়ে দারুণ ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই আপাতত ধারাবাহিক নাটকে একেবারেই অভিনয় করা হচ্ছে না তার। তবে সেলিমের নির্দেশনায় আরটিভিতে প্রচারিত ‘রৌদ্র ছায়ার খেলা’ ধারাবাহিকে সাবলীল অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হয়েছিলেন তিনি। এরপর আর নতুন কোনো ধারাবাহিক নাটকে তাকে অভিনয়ে দেখা যায়নি। তবে হিমি নিয়মিত খণ্ড নাটকে অভিনয় করছেন। দুদিন আগে শেষ করেছেন তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রযোজনায় ‘ভালোবাসার ফল’ নাটকের কাজ। এছাড়াও কামরুল হাসানের নির্দেশনায় তিনি ‘ভুল থেকে ফুল’ ও ‘বিজ্ঞাপন প্রহসন’ নাটকের কাজ শেষ করেছেন। তিনটি নাটকেই তার চরিত্রে দর্শক ভিন্নতা খুঁজে পাবেন বলে জানান হিমি। নিজের অভিনয় প্রসঙ্গে হিমি বলেন, ‘এই সময়ে এসে চেষ্টা করছি ভালো ভালো গল্পের নাটকে কাজ করতে। অবশ্য এই ক্ষেত্রে আমার আম্মু রোকসানা বেগম সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করছেন। তার কারণেই আজ এতদূর আসতে পেরেছি। আম্মুর প্রতি আসলে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। মাঝেমধ্যে ভাবি, আম্মু ছায়ার মতো পাশে না থাকলে কী যে হতো আমার! এখন আসলে পড়াশোনা নিয়ে একটু বেশিই ব্যস্ত থাকতে হয়। যে কারণে ধারাবাহিকে কাজ করছি না। শুধু খণ্ড নাটকেই সময় দিচ্ছি। আর অভিনয় এখনো আমার কাছে পেশা হয়ে ওঠেনি। পড়াশোনা শেষে অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেওয়ার ইচ্ছে রয়েছে।’ হিমির প্রথম নাটক ছিল চ্যানেল আইতে প্রচারিত অরুণ চৌধুরী পরিচালিত ‘মোহর আলী’। তার অভিনীত একমাত্র সিনেমা ‘হঠাত্ দেখা’, এটি নির্মাণ করেছিলেন রেশমী মিত্র। বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবেও কাজ করছেন হিমি। এর মধ্যে রবি ও দুরন্ত সাইকেলের বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। গত ডিসেম্বরে ইউটিউবে প্রকাশিত লস্কর নিয়াজী পরিচালিত ‘যদি জানতে’তে অভিনয়ের জন্যও বেশ প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে তিনি একজন সাধারণ ও চঞ্চল প্রকৃতিপ্রেমী মেয়ের চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেছেন। হিমি বলেন, ‘একজন শিল্পী হিসেবে সব সময়ই ভালো গল্প ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রই আমাকে বেশি টানে।’