প্রতি বছর ১ মার্চ ‘বীমা দিবস’ উদ্যাপিত হবে। এজন্য ১ মার্চকে বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণা এবং দিবসটি উদ্যাপনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এ সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়া মন্ত্রিসভা ভোটার তালিকা আইন সংশোধন করে ৩০ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ রেখেছে। বিদ্যমান আইনে শুধু জানুয়ারির এক মাস ভোটার তালিকায় সংশোধন করা যায়। মন্ত্রিসভা কৃষি যন্ত্রপাতি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালার খসড়াও অনুমোদন করেছে।
মন্ত্রিসভায় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর নাম উঠে আসাকে সারা দেশের অর্জন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবেক অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়া গত এক বছরে মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ অনুমোদনের কথা জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বীমা দেশের একটি সম্ভাবনাময় গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক খাত। বীমার ব্যাপ্তি বৃদ্ধিতে ও জনমনে বীমা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরির উদ্দেশে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ, যেমন—বীমা মেলা, দেশব্যাপী বীমা সম্পর্কিত সভা, সেমিনার, শোভাযাত্রা, বীমা দাবি পরিশোধের জন্য অনুষ্ঠান ইত্যাদি নিয়মিত আয়োজন করে থাকে। এ কার্যক্রমকে আরো বেগবান বিশেষত তৃণমূল পর্যায়ে বীমার বিস্তৃতি, জনসম্পৃক্ততা তথা জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জাতীয় বীমা নীতিতে বীমা দিবস চালুর কথা বলা হয়েছে। ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে পালনের জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিশেষ অনুরোধ করা হয়েছে এজন্য যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতার পরে দেশীয় বীমা শিল্পের সূচনা করা হয়। এ কারণে ‘বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার, ১৯৭২’ এবং ‘দ্য ইন্স্যুরেন্স করপোরেশন অ্যাক্ট, ১৯৭৩’ এর মতো বীমা সংশ্লিষ্ট মৌলিক আইন প্রণীত হয়। বঙ্গবন্ধু ১ মার্চ ১৯৬০-এ তত্কালীন আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেছিলেন।
ইত্তেফাক/বিএএফ