আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, সরকার এবং দলকে আলাদা করার জন্য অনেক মন্ত্রীকে এবার দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। প্রসঙ্গত, এবার মন্ত্রিসভার ৯ জন সদস্য দলীয় কোনো পদ পাননি।
এখন যারা মন্ত্রিসভায় আছেন তাদের মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বলতে পারবেন। তার সিদ্ধান্ত আমরা সবাই মেনে নেব। আমাকে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিতে বললে আমিও ছেড়ে দেব। মধ্যপ্রাচ্যে এক ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, বিষয়টি সরকার কিভাবে দেখছে এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। তেলের দাম বাড়লে তার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশেও আসবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মন্ত্রিসভায় রদবদল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম’।
সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় কিছু কিছু বিষয় সহনীয়ভাবে দেখছি, আইনের বাস্তবায়ন চলছে, আমাদের জনবলের সংকট আছে। সিটি নির্বাচনে অনেক বিতর্কিত প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আজ মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। দেখেন কারা প্রত্যাহার করেন।’
সড়ক নিয়ে অস্বস্তি আছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য টেন্ডার হয়েছিল। সেখানে ত্রুটি দেখা গেছে, তাই অন্যায়ভাবে কাউকে আমরা কাজ দিতে পারি না। রিটেন্ডার করতে হচ্ছে বলে দেরি হচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তার দলের লোকেরা যা বলে চিকিত্সকদের স্টেটমেন্টের সঙ্গে তার মিল নেই। এখানে চিকিত্সার ব্যাপার চিকিত্সকদের, যত আপন লোকই হয়, চিকিত্সার কি বুঝবে। চিকিত্সকদের যে বোর্ড সেখানে বিএনপির লোকও আছে।