মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ সংক্রান্ত ক্ষমতা কমাতে প্রতিনিধি পরিষদে একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রস্তাবটি পাশ হয়। প্রস্তাবটি এরপর পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে যাবে। মূলত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যাতে কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া ইরানের ওপর সামরিক হামলা না চালাতে পারেন সেইজন্যই এই প্রস্তাবটি পাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এদিকে সোলেইমানি হত্যা নিয়ে তদন্ত করছে ইরাকের গোয়েন্দা বাহিনী। দেশটি সৈন্য প্রত্যাহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশল নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে তেহরানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলার নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। খবর সিএনএন ও সিবিএস নিউজের
প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাবটি ২২৪-১৯৪ ভোটে পাশ হয়। প্রস্তাবের পক্ষে তিনজন রিপাবলিকান এবং আটজন ডেমোক্র্যাট বিপক্ষে ভোট দেন। প্রস্তাবটি পাশ হলেও এটা মানতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাধ্য কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রিপাবলিকানরা বলছেন, যেহেতু এটি স্বাক্ষরের জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হবে না, সেহেতু এটি মানতেও সরকার বাধ্য নয়। তবে ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট একটি বিশেষ প্রস্তাব। তাই এটি মানতে সরকার বাধ্য।
ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানির অবস্থানের তথ্য কিভাবে যুক্তরাষ্ট্র পেল তা তদন্ত করছে ইরাকের গোয়েন্দা বাহিনী। কারণ সোলেইমানি কালো গ্লাসের গাড়িতে উঠেছিলেন। তাকে বাইরে থেকে দেখার সুযোগ নেই। গোয়েন্দারা মনে করছেন, সিরিয়া এবং ইরাকের তথ্যদাতারাই মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সোলেইমানির অবস্থানের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য দিতে সমর্থন হন। গোয়েন্দা বাহিনী সেইসব তথ্যদাতাকে খুঁজছে। এজন্য বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদও করছে গোয়েন্দা সংস্থা।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আদেল আল-জুবেইর গত বুধবার ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে তেহরানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলার কড়া নিন্দা জানিয়েছে। এর মাধ্যমে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের পাশে আছে বলে জানিয়ে দিল। ইরাকের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল-মাহদি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইরাকে একটি প্রতিনিধি দল পাঠায় যারা মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার নিয়ে কৌশল খুঁজতে পারেন।