ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়তে ব্রিটেনের পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট বিল পাশ হয়েছে। আগামী ৩১ জানুয়ারিই ব্রিটেন ইইউ ছাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ব্রেক্সিট বিলটি ৩৩০-২৩১ ভোটে পাশ হয়েছে। হাউজ অব লর্ডসে চলতি সপ্তাহে বিলটি পাশের পর আইন হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। খবর ডয়চেভেলের
গত বছর কয়েকবার চেষ্টা করেও প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং তার পূর্বসূরি প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ব্রেক্সিট বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হন। এরপর পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বরিস জনসনের কনজারভেটিভ দল ৮০টি আসন বেশি পায়। এতে ব্রেক্সিট বিল পাশের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সেই চিত্রই দেখা যায়।
ভোটাভুটির পর ব্রেক্সিট মন্ত্রী স্টিফেন বার্কলে বলেছেন, ব্রেক্সিট হয়ে গেল। বিলও পাশ হয়ে গেছে। তবে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট ভন দার লিয়েন জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পূর্ণ চুক্তি রূপায়িত করা বাস্তবেই অসম্ভব। ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রীর কথায়, ব্রেক্সিট আমরা পছন্দ করছি না। কিন্তু ব্রিটিশদের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করি। ইইউ ত্যাগের পর এজন্য গঠিত আলাদা দপ্তরও তুলে নেবে ব্রিটিশ সরকার। তবে ইইউ ছাড়লেও ২০২০ সালে ১১ মাসের ‘ট্রানজিশন পিরিয়ড’ বা ইইউ’র সঙ্গে ভবিষ্যতের কর্মপন্থা ঠিক করা নিয়ে আলোচনা চালাবে ব্রিটেন। ব্রাসেলসের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আদায় করতে না পারলেও আগামী ৩১ ডিসেম্বরের সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না। তবে ব্রেক্সিট কার্যকর হলেও ইইউর বাণিজ্য ও আবগারি নিয়ম মেনে চলবে ব্রিটেন। যদিও ইইউ পার্লামেন্টে ব্রিটেনের কোনো প্রতিনিধি থাকবে না এবং সেখানে নেওয়া কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য হবে না লন্ডন।