দৌড়া, শীত আইলো!

 

/ রুবেল কান্তি নাথ

 

m প্রেমিকা :তুমি আমাকে কেমন ভালোবাসো, জানু?

প্রেমিক :আমার জানের চেয়ে বেশি ভালোবাসি।

প্রেমিকা :আমি একটা কথা কইলে রাখবা তো?

প্রেমিক :রাখুম না মানে! তোমার জন্য জানও দিতে পারি আমি।

প্রেমিকা :আমার শীতকালের গোসলগুলান তাইলে আমার বদলে তুমি কইরো।

প্রেমিক :বইন, আমারে মাফ করণ যায় না!

 

m জিন :মুহাহাহা! হুকুম করুন, মালিক। আমি আপনার তিনটা ইচ্ছে পূরণ করব।

লোক :সত্যি সত্যি তিনটা ইচ্ছা পূরণ করবা তো?

জিন :হ্যাঁ, মালিক, আপনি আমাকে বোতলবন্দী অবস্থা থেকে উদ্ধার করেছেন। তাই আমি আপনার ইচ্ছে পূরণ করবই।

লোক :এক. এই শীতে আমার হয়ে গোসল করবা।

দুই. শীতের মধ্যে বাইরে গিয়া আমার অফিসসহ বাইরের কাজকর্মগুলা কইরা আসবা।

তিন. রাতে ঘুমাইলে আমার গা থেইকা সইরা যাওয়া কম্বল ঠিক কইরা দিবা।

জিন :ও মা রে, ও বাবা রে, আমি শ্যাষ্! মালিক, আপনি আমারে উদ্ধারের দরকার নাই। বোতলের মধ্যে আবার হান্দাইয়া দেন। বাবা গো, বাবা। বাইরে যে ঠান্ডা! বোতলের মধ্যেই ভালা আছিলাম।

 

m প্রথমজন :তিন দিন ধইরা গোসল করছিস না তুই! তোর গা থেইকা তো খাটাসের লাহান গন্ধ আইতাছে রে!

দ্বিতীয়জন :পরানের শীত রে, খাটাস হইলাম তোর কারণে...

 

m নেতার চ্যালা :স্যার, আরেকটু দাঁত ক্যালান। কম্বলটা শক্ত কইরা ধইরা ক্যামেরার দিকে তাকান। এই তো। ঠিক আছে। এই ছবি কিন্তু সব পেপার ও টিভি চ্যানেলে যাইব। সংবাদ শিরোনাম হইব—জনদরদি বদনা মফিজের শীতবস্ত্র হরণ, থুড়ি, শীতবস্ত্র বিতরণ।

পাগলা দাশু :হালা, ভন্ড। ভন্ডামির আর জায়গা পাইলি না! আইজ লাঠির এক বাড়িতে যদি তোগো মাথা না ফাটাইছি, তয় আমার নাম পাগলা দাশু না!