সারাদেশে বেড়ে যাওয়া ধর্ষণের প্রতিবাদে গণপদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পদযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি হয়ে কুর্মিটোলা এলাকায় গিয়ে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে কাওরান বাজার যাওয়ার পর সেখানে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয় পদযাত্রাটি। পরে যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থী জোটের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধি দলকে কুর্মিটোলায় পাঠানো হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে এটি শুরু হয়। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি ও নারীর জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার দাবি নিয়ে ‘যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থী জোটে’র ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
জোটের আহ্বায়ক শিবলি হাসান বলেন, আমরা কাওরান বাজার পৌঁছানোর পর সেখানে আমরা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হই। তারা আমাদের বিশ্ব ইজতেমা ও বাণিজ্য মেলার জনদুর্ভোগের কথা বলেন। পরে কাওরান বাজারে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি দল কুর্মিটোলা অভিমুখে পাঠানো হয়।
পদযাত্রা শুরুর আগে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল বলেন, ‘ঢাবির ছাত্রী ধর্ষণের অপরাধে যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে যদি প্রকৃত অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। বিনা অপরাধে কেউ যেন শাস্তি না পায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।’
যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থী জোটের আহ্বায়ক শিবলি হাসান বলেন, কুর্মিটোলার যে স্থানে শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তা ঢাকা শহরের খুব ব্যস্ততম এলাকা। পাশেই ক্যান্টনমেন্ট এবং কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ড। এই এলাকাটিতে এর আগে আরো দুর্ঘটনা ঘটলেও আমলে নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন।