ইরাক থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদেল মাহদি। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে ফোনালাপেও এই অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তার এই অনুরোধে সাড়া না দিয়ে বরং ইরাককে তাদের বিনিয়োগের অর্থ ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। —খবর রয়টার্সের
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল পাঠাতে বলেছিলেন যারা সৈন্য প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা করতে পারে। অনুমতি না নিয়ে সামরিক অভিযান চালানোয় ইরাকের সার্বভৌমত্বে আঘাত করেছে বলেও মাইক পম্পেওর কাছে অভিযোগ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী আদেল। এর জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কোনো প্রতিনিধি দল সৈন্য প্রত্যাহার নিয়ে ইরাকের সঙ্গে আলোচনা করবে না। কারণ ইরাকে মার্কিন সৈন্যদের অবস্থান সঠিকই ছিল।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ইরাকের সঙ্গে কেবল নিরাপত্তা বা সৈন্য প্রত্যাহার নিয়ে নয়, ভবিষ্যত আর্থিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা করা প্রয়োজন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে ইরাকের উদ্দেশ্যে বলেন, সৈন্য প্রত্যাহার করতে হলে আমাদের অর্থ ফেরত দাও। বাগদাদকে ৩৫ বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ইরাক এই অর্থ ফেরত দেবে, না হলে সেখানে মার্কিন সৈন্য অবস্থান করবে। ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে ড্রোন থেকে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র হত্যা করার পর ক্ষুব্ধ হয় ইরাক। এই হামলার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বাগদাদ সরকারের অনুমতি নেয়নি বলে জানা যায়। পরে ইরাকের পার্লামেন্টে বিদেশি সৈন্য প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রস্তাব পাশ হয়।