রাজবাড়ীতে যাত্রীবাহী বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-মেয়ে সহ পাঁচজন নিহত হয়েছে। নিহতদের সবাই মাহিন্দ্রার যাত্রী। দুর্ঘটনায় আহত আরো ৩ জন যাত্রী গুরুতর অবস্থায় চিকিত্সাধীন রয়েছে। গতকাল রবিবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের বড়ো ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহতরা হলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদওহাপুর ইউনিয়নের আহলাদীপুর গ্রামের নায়ের আলী শেখের স্ত্রী মোছা. রাশিদা বেগম (৩৫), মেয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী মোছা. তাসলিমা আক্তার (১৫), গোয়ালন্দ উপজেলার তোরাপ শেখের পাড়া এলাকার মোস্তফা শেখ (৪০), ফরিদপুরের ঝিলটুলি এলাকার রফিকুল ইসলাম নান্নুর ছেলে অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী রিফাত (২২) ও মহাসিন (৩৫)। এ ঘটনায় আহতরা হলেন গোয়ালন্দ উপজেলার আনিস মহুরীর ছেলে অমিত হাসান (২২), গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম সরকারি কলেজের প্রফেসর শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও সুমন শেখ (৩৪)। গুরুতর আহত অবস্থায় গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও উন্নত চিকিত্সার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ফরিদপুর থেকে ঢাকাগামী গ্রীনলাইন ঢাকা মেট্টো-ব- ১৪-০৬৮৩ যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের খানখানাপুর বড়ো ব্রিজ এলাকায় পণ্যবাহী একটি ট্রাককে ওভারটেকিং করতে গিয়ে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুর গামী মাহেন্দ্রের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনা স্থলেই ঐ পাঁচজন মারা যায়। গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সদস্য ও আহলাদীপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের সদস্যরা আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
আহলাদীপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ পারভেজ ভুঁইয়া জানান, মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রীনলাইন পরিবহনের বাসটি আটক করা হলেও ড্রাইভার পলাতক রয়েছে।
এদিকে, নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নীলফামারীতে মোরসালিন (১৪) ইসলাম নামে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দুপুরে শহরের বাইপাস সড়ক ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোরসালিন সিংদই ছাড়ারপাড় এলাকার বাদশা ইসলামের ছেলে। সে নীলফামারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রভাতী শাখার ৮ম শ্রেণির ছাত্র। স্থানীয়রা জানান, দুপুরে সাইকেল যোগে বাড়িতে ফিরছিল মোরসালিন। এমন সময় গরুবাহী একটি নছিমন তাকে ধাক্কা দিলে গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় সে।