‘ইরাকের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবর আগেই জানতেন মার্কিন সেনারা’

ইরাকের আল-আসাদ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবর আগেই জানতেন মার্কিন সেনারা। এই খবর পেয়ে তারা বাঙ্কারে চলে গিয়েছিলেন। গত বুধবার হামলার আগে তারা অন্তত দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা পালানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে এই তথ্য জানতে সক্ষম হয়েছেন সিএনএনের সাংবাদিক।

আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রধান হোসেন সালামি পার্লামেন্টে বলেছেন, তারা মার্কিন সৈন্য হত্যারের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাননি। এটা তাদের লক্ষ্যও ছিল না। যদিও হামলার পর রাষ্ট্রীয় টিভিতে ৮০ জন মার্কিন সৈন্য হত্যার দাবি উঠেছিল। এদিকে কাতারের আমির শেখ তামিম গতকাল ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোই সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র উপায়।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১১টায় মার্কিন সৈন্যরা তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম খবর পান। হামলা হয় বুধবার রাত ১টা ৩০ মিনিটে। সেখানে হামলা চলছিল দুই ঘণ্টা ধরে। মার্কিন সেনা ও কর্মকর্তাদের কেউ বাঙ্কারে, আবার কেউ ঘাঁটির বাইরে চলে যান। কর্মকর্তারা বলছেন, এটা মিরাক্যালই বলতে হবে যে বাঙ্কারের কিছুটা কাছেই মিসাইল পড়েছিল। তবু কারো জীবনের ক্ষতি হয়নি। বাঙ্কারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি অবস্থান করছিলেন। তবে সৈন্যরা হামলার খবর জানলেও কী ধরনের হামলা হবে সে বিষয়ে জানতেন না। শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার বদলা হিসেবে ইরান এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।