ফাংশনাল ফুড

একের ভিতর দুই

ফাংশনাল ফুড হলো এমন খাদ্য, যাতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান তো থাকবেই; সেই সঙ্গে রোগ নিরাময় বা প্রতিরোধকারী কিছু উপাদানও থাকবে। অর্থাত্ ফাংশনাল ফুড থেকে আমরা অতিরিক্ত কিছু সুবিধা পেতে পারি, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এ ধরনের খাবারের মধ্যে খাদ্যশস্য, শাক-সবজি, ফলমূল, মাছ প্রভৃতি রয়েছে। যেহেতু আমাদের দেশে প্রাকৃতিকভাবেই বিভিন্ন ধরনের ফাংশনাল ফুড উত্পন্ন হয়, সেরকম কয়েকটি খাবারের পুষ্টি গুণাগুণ নিচে উল্লেখ করা হলো।

বাঁধাকপি :এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও ফাইবার; যা ফুসফুস, পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

ব্রকলি :এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, আয়রন, পটাশিয়াম ও ফাইবার; যা ফুসফুস, পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

কমলা :এতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, থায়ামিন ও নায়াসিন। এছাড়া এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

মিষ্টি কুমড়া :এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন, যা ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। যা ক্যান্সার ও হূদরোগ প্রতিরোধ করে। মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে রয়েছে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ প্রতিরোধ করে।

স্যামন ফিশ :এ মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।

পালং শাক :এতেও রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও আয়রন, যা যথাক্রমে ক্যান্সার ও রক্তশূন্যতা দূর করে।

স্ট্রবেরি :এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা হূদরোগ ও ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

গ্রিন টি :ওজন কমাতে সাহায্য করে, আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধ করে।

টমেটো :প্রোস্টেট ক্যান্সার ও হূদরোগ প্রতিরোধ করে।

বাদাম :এতে কোলেস্টেরল ও সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় হূদরোগ প্রতিরোধ করে।

এছাড়া আরও অনেক ফাংশনাল ফুড প্রকৃতিতে রয়েছে, যা আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক। দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় উল্লিখিত খাবারগুলো রাখলে আমরা সহজেই যেকোনো ক্রনিক ডিজিজ থেকে মুক্তি পেতে পারি। সুতরাং প্রাকৃতিক ফাংশনাল ফুড গ্রহণ করুন, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করুন।