স্পোর্টস রিপোর্টার
এখন আর শুধু জাতীয় দল নয়, বছর জুড়েই ব্যস্ত থাকে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্রিকেট দল। অনূর্ধ্ব-১৯ দল, বয়সভিত্তিক অন্য দলগুলো, এইচপি, ‘এ’ দল, নারী দলের খেলা অব্যাহত থাকে সারা বছর। ঘরোয়া ক্রিকেটের টুর্নামেন্টগুলো তো আছেই। সবমিলিয়ে মানসম্পন্ন মাঠের একটা সংকট সবসময় তাড়িয়ে বেড়ায় বিসিবিকে। দেশের ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়ন মাঠের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে বিসিবি। যে লক্ষ্যে কাজ করে সুফলও পেয়েছে সংস্থাটি। শিগগিরই বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির মাঠের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে আরো কয়েকটি মাঠ। যেখানে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে শুরু করে অন্যান্য ম্যাচ আয়োজন করা যাবে। একই সঙ্গে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ওপরও চাপ কমবে। কারণ মানসম্পন্ন মাঠের স্বল্পতার কারণে মিরপুর স্টেডিয়ামই বেশি ব্যস্ত থাকে।
ঢাকার কেরানীগঞ্জ, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহে পাঁচটি নতুন মাঠ পেয়েছে বিসিবি। গত রবিবার রাতে বোর্ড সভা শেষে এই তথ্য জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সংস্কারের সঙ্গে ্এসব মাঠের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, উন্নয়ন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বোর্ড সভায়। বিসিবির অর্থায়নে মাঠগুলো আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হবে। এসব মাঠে ঘরোয়া লিগ, স্কুল ক্রিকেট, বয়সভিত্তিক দলের খেলা এবং প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটও আয়োজন করা হবে।
সিলেটে আউটার স্টেডিয়াম তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। যেটি ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠবে দ্রুতই। বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘সিলেট স্টেডিয়ামটাকে আমরা বিরাট একটা সুযোগ করতে পেরেছি। আরো কিছু কাজ চলছে, প্রায় শেষ হওয়ার পথে। আমরা দেখেছি এখানে প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্টসহ অনেক কিছু খেলাতে পারবো।’
গত বছর বরিশালে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মাঠের আরো সংস্কার করবে বিসিবি। কেরানীগঞ্জের একটি মাঠও ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তুলবে বিসিবি। এছাড়া ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করেছে বিসিবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি মাঠের দুটি ব্যবহার হবে ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য।
নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, ‘বরিশালে আমরা সমপ্রতি একটা টুর্নামেন্ট করেছি। ঐ মাঠটাকে আরো কিভাবে ভালো উন্নয়ন করা যায় সেটা ঠিক করছি। আমরা ময়মনসিংহ এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটির সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। ওদের এখানে আটটি মাঠ আছে, এর মধ্যে দুটো মাঠ আমরা নিয়ে নিচ্ছি। আর কেরানীগঞ্জেও একটি মাঠ পেয়েছি। সেখানেও খেলার আয়োজন করা যাবে।’