এএফপি
লিবীয় সংঘাতে জড়িত উভয় পক্ষ মস্কোতে একটি অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে। এর ফলে দেশটিতে চলা দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। কয়েক সপ্তাহের আন্তর্জাতিক কূটনীতিক তত্পরতার পর এটি স্বাক্ষর হচ্ছে।
ন্যাটো সমর্থিত আন্দোলনে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসক মোয়াম্মার গাদ্দাফি ২০১১ সালে নিহত হওয়ার পর থেকেই তেলসমৃদ্ধ উত্তর আফ্রিকার এ দেশে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। আর এ সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টায় বর্তমানে অনেক বিদেশি শক্তি কাজ করে যাচ্ছে। ত্রিপোলিতে জাতিসংঘ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাতীয় ঐক্য সরকার (জিএনএ) গত এপ্রিল থেকে শক্তিশালী খলিফা হাফতারের অনুগত বাহিনীর হামলার শিকার হয়ে আসছে। লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে হাফতারের হাতে। গত ৬ জানুয়ারি হাফতারের বাহিনী কৌশলগত দিক থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দেশটির উপকূলীয় সিরত নগরী দখল করে নেয়। জিএনএ প্রধান ফয়েজ আল-সরাজ অতীতের অনৈক্য ভুলে গিয়ে দেশকে শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে নিতে লিবীয়দের প্রতি সোমবার আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতিসংঘ জানায়, ত্রিপোলির ওপর হামলা শুরুর পর থেকে ২৮০ বেসামরিক নাগরিক ও প্রায় ২ হাজার যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এছাড়া এসব হামলায় প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার লোক গৃহহীন হয়েছে। আঙ্কারা ও মস্কোর নেতৃত্বে কূটনৈতিক তত্পরতার পর এ চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে। দেশ দুটি লিবিয়ার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে তাদের নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে।