বেনাপোল স্থলবন্দর

কাউন্টার কম থাকায় ইমিগ্রেশনে যাত্রী ভোগান্তি

বর্তমানে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫৬ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াত করছে। কিন্তু বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে কাউন্টার স্বল্পতার কারণে বহির্গমন ও আগমন যাত্রীদের ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন করতে ভোগান্তি  পোহাতে হচ্ছে। যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। বিশেষ করে বেশি সমস্যায় পড়ছেন রোগী ও শিশু যাত্রীরা।

জানা গেছে, সীমান্তের এই জিরো পয়েন্ট থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৮৪ কিলোমিটার হওয়ায় এ পথে যাত্রীদের ভিড় লেগেছে এ মৌসুমে। অন্য সময় এ পথে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার যাত্রী যাতায়াত করলেও তা এখন বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। প্রতিদিন প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার যাত্রী ভারত যাতায়াত করছেন। তবে ভারতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের অভিযোগ, এখানে  বহির্গমন ডেস্ক কাউন্টার আছে আটটি এবং আগমনি ডেস্ক কাউন্টার আছে আটটি। যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তাদের দাবি, এখানে ডেস্ক কাউন্টার এবং ইমিগ্রেশনে জনবল বাড়ান একান্ত প্রয়োজন। না হলে যাত্রীদের ভোগান্তি থেকেই  যাবে।

মঙ্গলবার সকালে কলকাতা থেকে চিকিত্সা শেষে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ফিরে আসা বাংলাদেশি যাত্রী কামাল হোসেন  জানান, ইমিগ্রেশনের কাজের ধীরগতির কারণে এখানে যাত্রীদের দুর্ভোগের সীমা নাই। শিশু ও রোগী যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।  ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তেও একই চিত্র বলে তিনি জানান।