প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় প্রতিনিয়ত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান না হওয়ায় বিধিভঙ্গের প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাতের আঁধারে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ এসেছে নির্বাচন কমিশনে। প্রচারে মাইক ব্যবহারের নীতিও মানছেন প্রার্থীরা। দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও অনেক জায়গায় নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে মাইক ব্যবহার হচ্ছে। সোমবার আগারগাঁওয়ের শতদল কমপ্লেক্স মাঠে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকের সভায় উপস্থিত হন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সাদেক খান। আইনানুযায়ী সংসদ সদস্যরা প্রচারে আসতে পারেন না বলে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুললে সাদেক খান সভাস্থল ত্যাগ করে চলে যান।

এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী প্রতিনিয়ত আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেমের কাছে গতকাল উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর চিঠি দিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটির নির্বাচনী প্রচার চলাকালে কর্মীদের মারধর ও মাইক্রোফোন ভাঙচুরের অভিযোগ এনে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার কাছে নালিশ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে সিইসি বরাবর চিঠি দেন তাবিথের একজন প্রতিনিধি।

পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ : ধানের শীষ ও ঘুড়ি মার্কার পোস্টার রাতের আঁধারে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. সাইদুল ইসলাম। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রিটার্নিং অফিসার মো. আবুল কাসেমের কাছে লিখিত অভিযোগে তিনি একথা বলেন। এ ব্যাপারে রিটার্নিং অফিসার মো. আবুল কাসেম অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুল ইসলামের একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এর তদন্ত করা হবে। তদন্তে কেউ দোষীসাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।