টি-টোয়েন্টি দলে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম

অনেক জল ঘোলা হলেও শেষ অব্দি পাকিস্তান সফরে বাংলাদেশ দলকে পাঠাতে সম্মত হয়েছে বিসিবি। চার মাসে তিন দফায় পাকিস্তান সফর করবে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের মাটিতে তিন ফরম্যাটেই খেলবে টাইগাররা। গত মঙ্গলবার দুবাইয়ে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডপ্রধানের মিটিংয়ে চূড়ান্ত হয়েছে এই সিরিজের সূচি।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২২ জানুয়ারি পাকিস্তানের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল। শুরুতেই তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়বে টাইগাররা। লাহোরে ২৪, ২৫ ও ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে সিরিজটি। তিন টি-২০ খেলেই দেশে ফিরবে বাংলাদেশ দল। সফর নিশ্চিত হওয়ার পর এবার দল গঠনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এই সিরিজের দল নিয়ে গতকালই মিটিংয়ে বসেছেন নির্বাচকেরা। হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোও ছিলেন ঐ মিটিংয়ে।

প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানিয়েছেন, বিপিএল ফাইনালের আগে পাকিস্তান সফরের দল ঘোষণা করা হবে না। আগামীকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিপিএলের সপ্তম আসরের ফাইনাল। গতকাল প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ‘আমরা এখনো বসিনি। হেড কোচের সঙ্গে মিটিং হবে আজ (গতকাল)। আর ভারত সফরে তো আমরা টি-২০ খেলেই এসেছি। পরিবর্তন কী হবে না হবে এখনই বলতে পারছি না।’ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বে সর্বশেষ ভারত সফরে ২-১-এ সিরিজ হেরেছিল বাংলাদেশ। দিল্লিতে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে দিয়েছিল রিয়াদের দল। পরে টানা দুই হারে সিরিজ খুঁইয়ে বসে বাংলাদেশ। ভারত সফরে একটি ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা পাকিস্তানেও কাজে লাগবে। বিপিএলে কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটার ভালো করলেও পাকিস্তানগামী বাংলাদেশ দলে পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই কম। বিপিএলে পারফরম করে বেশ আলোচনায় আছেন বাঁ-হাতি পেসার মেহেদী হাসান রানা। যদিও নির্বাচকদের ভাবনায় এই তরুণের স্থান সেভাবে নেই। কারণ টি-২০ দলে মুস্তাফিজুর রহমান, শফিউল ইসলাম ও আল-আমিন হোসেনদের মতো স্বীকৃত পেসার রয়েছেন। বিপিএলে তাদের পারফরম্যান্সও নেহাত খারাপ ছিল না। বাঁ-হাতি ওপেনার ইমরুল কায়েস চার শতাধিক রান করেছেন এবার। অবশ্য তার সুযোগটা কমে যাচ্ছে নাঈম শেখ, লিটন দাসরাও রানের মিছিলে থাকায়। দুজনই ভারত সফরের দলে ছিলেন। তাছাড়া দলে ফিরবেন তামিম ইকবাল।

বিপিএলের শীর্ষ চারে উঠতে না পারা দলগুলোর ক্রিকেটাররা বিশ্রামে রয়েছেন। পাকিস্তানে যাওয়ার আগে দলগতভাবে এক-দুই দিন অনুশীলন হতে পারে ঢাকায়।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ভাগে ৭ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ দল। তৃতীয় ভাগে ৩ এপ্রিল করাচিতে একমাত্র ওয়ানডে এবং ৫ থেকে ৯ এপ্রিল একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।