ড্রাগ লাইসেন্স নিয়ে অবৈধ লেনদেন ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক কর্মকর্তাকে বদলি করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। ‘ঘুষ ছাড়া মেলে না ড্রাগ লাইসেন্স’ শিরোনামে দৈনিক ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশের পর প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আশরাফ হোসেন। এছাড়া ড্রাগ লাইসেন্স পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়মের সঙ্গে আরো কেউ জড়িত রয়েছে কি না-তা তদন্তের জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আশরাফ হোসেনকে প্রধান করে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অপর সদস্য হলেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ফার্মাকোলোজিস্ট ডা. আয়েশা সিদ্দিকা। তাদের ১০ দিনের ভেতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তদন্তের বিষয়ে অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আশরাফ হোসেন ইত্তেফাককে বলেন, আমাদের তদন্ত প্রায় শেষের দিকে। দুই-একদিনের ভেতর আমরা রিপোর্ট জমা দিতে পারব। অন্যদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগে যেখানে খুচরা ও পাইকারি ওষুধ বিক্রেতাদের লাইসেন্স পেতে ৯০ কর্মদিবস সময় লাগত সেখানে তা এখন এক মাসের ভেতর দেওয়ার ব্যবস্থা করছে অধিদপ্তর। ঘুষ লেনদেন এড়াতে লাইসেন্স পেতে কী কী কাগজপত্র লাগবে অধিদপ্তরে এজন্য সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। এছাড়া কোনোভাবে যেন আবেদনকারীর ফাইল না হারিয়ে যায় এজন্য যার কাছে ফাইল থাকবে তা রেজিস্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর আগে এসব ফাইল রেজিস্টার খাতায় লিপিবদ্ধের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। যার ফলে দেখা যায় যারা শুধু টাকা লেনদেন করতেন তাদের ফাইলই ড্রাগ সুপারের কাছে অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পাঠাতেন।