আলো কাড়লেন দিবালা-এমবাপে

অসুস্থতার কারণে গত বুধবার রাতে জুভেন্তাস দলে ছিলেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দলের সবচেয়ে বড় তারকার অনুপস্থিতি বুঝতেই দেননি পাওলো দিবালা। জোড়া গোল করে ও একটি করিয়ে উদিনেসের বিপক্ষে জুভেন্তাসকে ৪-০ গোলের জয় পাইয়ে নিয়ে গেছেন ইতালিয়ান কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে। পিএসজির ম্যাচে নেইমার ছন্দে থাকলেও এমবাপে জোড়া গোল করে পাদপ্রদীপের আলো কেড়েছেন। ফলে দলও মোনাকোর বিপক্ষে পেয়েছে ৪-১ ব্যবধানের দারুণ জয়।

নিজেদের মাঠে জুভেন্তাস এগিয়ে গিয়েছিলো ম্যাচের ১৬ মিনিটেই। গঞ্জালো হিগুয়েইনের গোলে যোগান ছিলো দিবালার। ২৬ আর ৫৭ মিনিটে গোল করে কোচ মাউরিজিও সারির দলকে চালকের আসনে নিয়ে যান দিবালা। সুযোগ ছিলো হ্যাটট্রিকেরও। তবে ৬১ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টির সুযোগটি তিনি তুলে দেন সতীর্থ ডগলাস কস্তার হাতে। ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ডের গোলে ৪-০ ব্যবধানের জয় আর শেষ আটে যাওয়া নিশ্চিত হয় জুভেন্তাসের। ­

রোনালদো আসার আগে দিবালাই ছিলেন জুভেন্তাস আক্রমণের সর্বেসর্বা। পর্তুগীজ তারকা আসার পর কোচের কৌশলে পরিবর্তন এসেছে, কোচও পাল্টেছে। ফলে শুরুর একাদশের জায়গাটা এখন আর খুব পোক্ত নয় আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। তবে উদিনেসের বিপক্ষে জোড়া গোল করে জানান দিলেন ক্ষুরধার সামর্থ্যে মরচে ধরেনি এতোটুকু।

চলতি মৌসুমে ১১তম গোলটি করা এই ফরোয়ার্ডকে নিয়ে প্রশংসায় মাতলেন কোচ সারিও। তিনি বলেন, ‘দিবালা একজন উঁচুমানের খেলোয়াড়। এমন খেলোয়াড়রা যখন আত্মবিশ্বাসী ও পরিণত হন তখন সেরার মতোই পারফর্ম্যান্স উপহার দেন।’

জুভেন্তাস কোচ আরও যোগ করেন, ‘আমি মনে করি না এমন খেলোয়াড়দেরকে কোচ কিছু শেখাতে পারেন। দিবালা আগামী কয়েক বছরে ইউরোপ ও বিশ্বফুটবলে ছাপ রাখতে যাচ্ছে। এটা করার সঠিক বয়স এখনই এবং সে আরও অনেক বছর খেলতে পারবে। অতীতে কিছু সমস্যার মুখে পড়লেও সেটা কাটিয়ে এ মূহুর্তে সে সত্যিই আত্মবিশ্বাসী।’ আর পিএসজি প্রতিপক্ষের মাঠে বুধবার রাতে এগিয়ে গিয়েছিলো এমবাপের গোলেই। প্রথমার্ধের অন্তিম সময়ে নেইমার পেনাল্টি থেকে গোল করেন। এরপর ৭২ মিনিটে পাবলো সারাবিয়ার গোলে ম্যাচটা মোনাকোর ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যায় পিএসজি। তবে ৮৭ মিনিটে টিমোথি বাকায়োকোর গোলে ব্যবধান কমায় ২০১৬-১৭ মৌসুমের শিরোপাজয়ী মোনাকো। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে এমবাপের গোলে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কোচ থমাস টুখেলের শিষ্যরা।