ঢাকা সিটির নির্বাচনে বিএনপির দুই মেয়রপ্রার্থী গতকাল দিনভর ব্যাপক জনসংযোগ করেছেন। দক্ষিণে প্রচার-প্রচারণাকালে দক্ষিণ সিটির মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেছেন, মানুষ বুঝেছে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তাতে সরকার ভীত। হারের ভয়ে যত রকমের কূটকৌশল প্রয়োগ করছে। আমি এগুলোর তোয়াক্কা করি না। তিনি বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের মামলা সচল করে নির্বাচন থেকে পিছু হটাতে পারবে না সরকার। ২০০৮ সালে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় আমার বয়স সাড়ে ১৮ বছর হবে। সে সময়ে আমি ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি, তখন আমার সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয়, সেই নোটিশ পড়ার আমি আদৌ কোনো সময় পাইনি। তো সেই নোটিশের জবাবও আমি দেইনি। তিনি বলেন, ২০১০ সালে গিয়ে বিএনপি তখন তুমুল সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলে। আমার বাবা (সাদেক হোসেন খোকা) তখন ঢাকা মহানগর বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তখন ওনাকে চাপে ফেলার জন্য নোটিশের জবাব না দেওয়ায় একটা মামলা হয়। তারপরে কী হয়েছে জানি না। কারণ, আমি তখন দেশে থাকতাম না। আমার বাবা ওটা হ্যান্ডেল করেছেন। গত ২০১৮ সালে যখন আমি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য দেশে আসলাম, মনোনয়ন জমা দিলাম এবং ইসিতেও জমা দিলাম, তখন চার্জশিট তৈরি করল দুদক থেকে। তারপর থেকে হিয়ারিং চলছে। এখন আমি চ্যালেঞ্জ করে আসছি এ মামলাটি। এ মামলা চলতে পারে না। ইশরাক বলেন, নির্বাচনি প্রচারণায় এটার প্রভাব পড়বে না।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বসুন্ধরা সিটি মার্কেটের সামনে থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচারণা শুরু করেন তাবিথ আউয়াল। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পশ্চিম তেজতুরি বাজার এলাকায় গণসংযোগ করার সময় তাবিথ আউয়াল বলেন, নির্বাচনি পরিবেশ সকালে এক রকম আর বিকালে আরেক রূপ ধারণ করে। সকালে প্রচারণা চালাতে পারলেও বিকালে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়। বুধবার বিকালেও ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সেগুনকে টার্গেট করে তার প্রচারণায় হামলা চালিয়ে সেগুনসহ বেশ কয়েকজনকে আহত করা হয়েছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে ভীত হয়ে হামলা ও হুমকি দিচ্ছে। যেন ভোটারেরা ৩০ তারিখ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রয়োগ করতে না পারে।