g স্পোর্টস রিপোর্টার
মহিলা ফুটবল লিগ হবে বলে বাফুফেতে জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা প্রায় সব খেলোয়াড় বিভিন্ন দলে ঢুকে গেছেন। এখন ক্যাম্প প্রায় ফাঁকা। বাফুফে এই শূন্যস্থান ভরাট করার জন্য ঢাকার বাইরে থেকে ১২ হতে ১৪ বছর বয়সের ২০ ফুটবলারকে ক্যাম্পে তুলছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে তিন জন ডিফেন্ডার, দুই জন গোলকিপার অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। বাকিরা খুব শিগগিরই ক্যাম্পে উঠবেন। যশোরে ইউনিসেফের সঙ্গে যৌথভাবে ফুটবল ক্যাম্প করেছিল গত নভেম্বরে। সেখান থেকে বাছাই করা ফুটবলারদের নিয়ে ক্যাম্প শুরু হবে। ক্যাম্পে ৫৭ ফুটবলার ছিল। বড়োরা চলে যাওয়ায় এখন ৩৭ ফুটবলার রয়েছে, যোগ হচ্ছে ২০ জন।
লিগ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ৩১ জানুয়ারি। দলবদল শেষ হবে ২৫ জানুয়ারি। বসুন্ধরা কিংস মহিলা দলের ক্যাম্প থেকে সব ভালো ভালো ফুটবলার নিয়ে দল গঠন করেছে। স্ট্রাইকার সাবিনা খাতুন, সানজিদা, মৌসুমী, মাসুরা, আখি, বড়ো সামসুন নাহার, স্ট্রাইকার তহুরা খাতুন, গোলকিপার মাহমুদা, বড়ো নার্গিস, লিপি, কৃষ্ণা রানি, অনূর্ধ্ব-১৫ দলের রিফা এবং প্রান্তীকে নিয়ে গেছে বসুন্ধরা কিংস। মহিলা ফুটবলে পাওয়ার হাউজ বানিয়েছে তারা। মহিলা কোচ রেখেছে। এখন দলের খেলোয়াড় সবাই বসুন্ধরার ক্যাম্পে। বড়ো অঙ্কের বাজেট। জানা গেছে স্ট্রাইকার সাবিনা পাচ্ছেন ৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক। বাকিরা ৩-৪ এর মধ্যে। পাঁচ দল নিয়ে লিগ হওয়ার কথা রয়েছে। যদি এক রাউন্ড খেলা হয় তাহলে ম্যাচ হবে চারটি। তাতে একটি ম্যাচের পারিশ্রমিক পড়বে প্রায় লাখ টাকা। আর যদি ডাবল লিগ হয় তাহলে একটি ম্যাচের পারিশ্রমিক পড়বে প্রায় ৫০ হাজার টাকা।
শেখ রাসেল খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত করেছিল। এখন নীরব। অপেক্ষায় থেকে মনিকা ও মারিয়া বসুন্ধরায় চলে গেছেন বলে মহিলা ক্যাম্পের একটি সূত্র জানায়। শেখ রাসেলের ম্যানেজার অমিত খান শুভ্র জানিয়েছেন তারা কথা বলেছেন খেলোয়াড়দের সঙ্গে। দুই একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত হবে। অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে আর্থিক অনিশ্চয়তা চূড়ান্ত হয়নি। অর্থ যারা দেবেন তারা সবুজ সংকেত দিলেই হয়ে যাবে।
উত্তরবঙ্গ ফুটবল ক্লাব নামে একটি দল মহিলা লিগে খেলবে। তারা জাতীয় দলের বড়ো রত্না, সুলতানাকে নিয়েছে। বসুন্ধরা জাতীয় দলের ১৬ জনকে নিয়েছে। উত্তরবঙ্গ নিয়েছে চার জনকে। তবে কোনো দলই রেজিস্ট্রেশন করাননি এখনো। অর্থের ছড়াছড়ি দেখে জানা গেছে পুরোনো ফুটবলার সুইনু, মাইনু, তৃষ্ণা, অম্রাচিং, গোলকিপার সাবিনা, রওশন, গোলকিপার মাহমুদা ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছেন, তারাও ক্লাব ফুটবলে খেলবেন।